এলাকাবাসীর অভিযোগ, শুধু পানীয় জলের সমস্যাই নয়, স্বাস্থ্য পরিষেবার ক্ষেত্রেও চরম অবহেলার শিকার হচ্ছেন তাঁরা। জনসাধারণের প্রাথমিক চিকিৎসার উদ্দেশ্যে তৈরি নোনাছড়ার হেলথ সাব সেন্টারটি দীর্ঘদিন ধরে তালাবন্ধ অবস্থায় পড়ে রয়েছে। ভবন থাকলেও কোনো ডাক্তার বা স্বাস্থ্যকর্মী সেখানে আসেন না। ফলে সামান্য অসুস্থতার জন্যও দুর্গম পথ পাড়ি দিয়ে তেলিয়ামুড়া মহকুমা হাসপাতালে ছুটতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।
তেলিয়ামুড়া ডেস্ক, ৩০ জুন।।
খোয়াই জেলার প্রত্যন্ত কৃষ্ণপুর বিধানসভা কেন্দ্রের নোনাছড়া এলাকায় বাড়ছে ডায়রিয়ার প্রাদুর্ভাব। এই পরিস্থিতিতে স্থানীয় উপ স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ঝুলছে তালা। সাধারণ মানুষ পড়ছে বিপাকে। স্বাস্থ্য দপ্তরের নেই কোনো হেলদোল।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ,না দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় নেই পর্যাপ্ত পানীয় জলের ব্যবস্থা। স্বাভাবিক কারণেই গিরিবাসীরা বাধ্য হয়েই ছড়া বা কুয়োর নোংরা পানীয় পান করতে বাধ্য হচ্ছে। ফলে শিশু থেকে বৃদ্ধ সবাই আক্রান্ত হচ্ছে নানান জলবাহিত রোগে।ইতিমধ্যেই এলাকার বেশ কিছু মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে ডায়রিয়াতে । আক্রান্তরা হলো সন্তোষ কুমার মলসম,সাড়ে পাঁচ বছর বয়সী আলদ্রিয়া মলসম,মিসন্তী মলসম,সান্ডামী মলসম এবং পল্টু মলসম।সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, চরম অর্থাভাবের কারণে বহু দরিদ্র পরিবার প্রয়োজনীয় চিকিৎসা করাতে পারছে না। অসুস্থ শরীর নিয়েই অনেকে বাড়িতে পড়ে থাকতে বাধ্য হচ্ছেন। পাহাড়ি এলাকার এই দিনমজুর পরিবারগুলোর কাছে চিকিৎসার খরচ এখন এক বিরাট বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, শুধু পানীয় জলের সমস্যাই নয়, স্বাস্থ্য পরিষেবার ক্ষেত্রেও চরম অবহেলার শিকার হচ্ছেন তাঁরা। জনসাধারণের প্রাথমিক চিকিৎসার উদ্দেশ্যে তৈরি নোনাছড়ার হেলথ সাব সেন্টারটি দীর্ঘদিন ধরে তালাবন্ধ অবস্থায় পড়ে রয়েছে। ভবন থাকলেও কোনো ডাক্তার বা স্বাস্থ্যকর্মী সেখানে আসেন না। ফলে সামান্য অসুস্থতার জন্যও দুর্গম পথ পাড়ি দিয়ে তেলিয়ামুড়া মহকুমা হাসপাতালে ছুটতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। এই মহামারী সাদৃশ্য পরিস্থিতি তৈরি হলেও এখন পর্যন্ত স্বাস্থ্য দপ্তর বা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোন প্রতিক্রিয়া বা পদক্ষেপের কথা জানা যায়নি। পাহাড়ি এলাকার প্রান্তিক মানুষের স্বাস্থ্য নিয়ে প্রশাসনের এমন উদাসীনতা আর কতদিন চলবে? কোথায় আছেন প্রদ্যুৎ – বিকাশরা?

