ডেস্ক রিপোর্টার,২৩ সেপ্টেম্বর।।
বন দফতরের উদ্যোগে রাবার গাছ কাটার পর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও ক্ষতিপূরণ না পাওয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। ক্ষতিপূরণের দাবিতে ক্ষুব্ধ হয়ে অমরপুর–গণ্ডাছড়া সড়কের সাতচন্দ্রাই পাড়ায় রাস্তা অবরোধে বসেন উপজাতি সম্প্রদায়ের মহিলারা। দীর্ঘক্ষণ রাস্তা অবরোধের ফলে ওই সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয় বলে জানা যায়।
অভিযোগ, ফরেস্ট ডিপার্টমেন্টের উদ্যোগে সংশ্লিষ্ট এলাকায় রাবার গাছ কাটা হলেও ক্ষতিগ্রস্তদের প্রাপ্য ক্ষতিপূরণ এখনও প্রদান করা হয়নি। বিষয়টি নিয়ে বারবার দাবি জানানো হলেও সমস্যার সমাধান না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। সেই ক্ষোভ থেকেই রাস্তা অবরোধের কর্মসূচি নেওয়া হয় বলে জানা গেছে।
রাস্তা অবরোধের খবর ছড়িয়ে পড়তেই ঘটনাস্থলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। দীর্ঘক্ষণ অবরোধ চলায় ওই পথে যাতায়াতকারী সাধারণ মানুষ ও যানবাহনের চালকদের সমস্যার মুখে পড়তে হয়। অবরোধকারীদের বক্তব্য, গাছ কাটার ফলে তারা ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। তাই যথাযথভাবে ক্ষতিপূরণ না পাওয়া পর্যন্ত তাদের দাবি নিয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।
পরবর্তীতে বিষয়টি বিরোধী দলনেতার হস্তক্ষেপে সামনে আসে। তাঁর হস্তক্ষেপের পর সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা এবং সমস্যাটি সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হলে অবশেষে রাস্তা অবরোধ প্রত্যাহার করা হয়। এরপর ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয় অমরপুর–গণ্ডাছড়া সড়কের যান চলাচল।
তবে রাবার গাছ কাটার পর ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ প্রদানের বিষয়টি নিয়ে এখনও প্রশ্ন রয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের অভিযোগের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট দপ্তর কী পদক্ষেপ গ্রহণ করে এবং কবে তাদের প্রাপ্য ক্ষতিপূরণ প্রদান করা হবে, এখন সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছেন এলাকার মানুষ।
ক্ষতিগ্রস্তদের দাবি, শুধু আশ্বাস নয়—রাবার গাছ কাটার কারণে প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করে দ্রুত প্রাপ্য ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে হবে। ফলে বিষয়টি নিয়ে প্রশাসন ও ফরেস্ট দপ্তরের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে নজর রয়েছে এলাকাবাসীর।

