ডেস্ক রিপোর্টার, ৪ নভেম্বর।।
      বাধারঘাটের বিধায়িকা মিনা রানি সরকারের সংসারে জ্বলে উঠেছে ক্ষোভের জ্বলন্ত আগ্নেয়গিরি। ৪৫, ৪৬, ৪৭ ও ৪৮ ওয়ার্ডে দলীয় কর্মীদের ক্ষোভ এখন দাবানলের রূপ নিয়েছে।
দলীয় কর্মীরা মিনার বাড়িতে ঢুকে স্পষ্ট ভাবে জানিয়ে দিয়েছে, ” মিনার দুই”সারমেয়” মণ্ডল সভাপতি মনীষ দেব  ও মণ্ডল সদস্য ইন্দ্র নম:- কে
চ্যাং-দোলা করে অজ পাড়ার কোনো ছড়ার জলে ভাসিয়ে দেবে”।
    মিনা ও তার দুই সারমেয় ইন্দ্র – মনীষ টাকার বিনিময়ে যোগ্য প্রার্থীদের বঞ্চিত করে অযোগ্য প্রার্থীদের টিকিট পাইয়ে দিয়েছে। বিনিময়ে তারা কমাই করেছে নোট।

।।মিনা সরকারের বাড়িতে কর্মীদের বিক্ষোভ।।

    মঙ্গলবার রাতে বাধারঘাটের বিভিন্ন্ ওয়ার্ডের বিক্ষুব্ধ লোকজন মিনা সরকারের বাড়িতে যায়। এবং বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। তখন মিনা নাকি তাদেরকে বলে দেন,
    ” আমি এতো কিছু বুঝি না। সব করেছে মনীষ – ইন্দ্র। আমি তাতে শুধু সায় দিয়েছি। তখন বিক্ষুব্ধরা জানিয়ে দেন, ইন্দ্র – মনীষ বিজেপিকে ক্ষমতায় এনেছে কিনা?
  বাধারঘাটের লোকজনের বক্তব্য, ২০১৮ সালের বিধানসভা নির্বাচনের দিনে সিদ্ধিআশ্রমে কংগ্রেস অফিসে বসে বিজেপি ও নরেন্দ্র মোদি – বিপ্লব দেবের চৌদ্দ গোষ্ঠীর শ্রাদ্ধ করেছিলো ইন্দ্র। ভোট গননার দিন অর্থাৎ ৩রা মার্চ ২০১৮- র দুপুরে ইন্দ্র মাথা ন্যাড়া করে বিজেপি শিবিরে চলে আসে। আর মনীষ ২০১৭ সালের শেষ দিকে তার এক সাংবাদিকের হাতে – পায়ে ধরে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। এর আগে সে ছিলো কংগ্রেস। এবং সুদীপ পন্থী।দুঃখের হলেও সত্যি,এখন তারাই নাকি বাধারঘাট বিজেপির নীতি নির্ধারক। ছিঃ ছিঃ, লজ্জা।


  সাধারণ মানুষের বক্তব্য, মিনা সরকারের দুই সারমেয় মনীষ – ইন্দ্রকে যেকোনো সময় বাধারঘাটের সৎ নিষ্ঠাবান বিজেপির কর্মীরা নেকড়ে বাঘের মতো ছিঁড়ে খেয়ে ফেলবে। এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা। তাই তারা মিনাকে সাবধান করে দিয়েছে। নয়তো মিনা সরকারও দৌড়াতে দৌড়াতে হাঁফিয়ে উঠবেন। ইতিমধ্যে মিনার ৪৬ নম্বর ওয়ার্ডে গুজ প্রার্থী হয়েছেন বিজেপির বিক্ষুব্ধ কর্মী রাজেশ ঘোষ। ৪৫,!৪৭, ৪৮ ও ৪৯ ওয়ার্ডেও মনোনয়নপত্র দাখিল করবে নির্দল। তারা স্ব- দলীয় বিরোধী গোষ্ঠীর লোকজন। খবর অনুযায়ী, চাপের মুখে ভাজপা নেতৃত্ব ৪৫ নম্বর ওয়ার্ডে ঘোষিত প্রার্থীর নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছে।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *