ডেস্ক রিপোর্টার,৪ নভেম্বর।।
      উত্তর-পূর্ব ভারতের অন্যতম প্রধান প্রবেশদ্বার ত্রিপুরায় কি এখন ব্যবসা ও শিল্পে বিনিয়োগের সেরা সময়? আগরতলার প্রজ্ঞা ভবনে আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের সচেতনতা শিবিরে এই প্রশ্নের স্পষ্ট ও ইতিবাচক উত্তর দিলেন কেন্দ্র ও রাজ্য প্রশাসনের শীর্ষ কর্তারা।
বুধবার প্রজ্ঞা ভবনের ১ নম্বর হলে ভারত সরকারের বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রক এবং ত্রিপুরা রাজ্য সরকারের যৌথ উদ্যোগে ‘মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি-র সুযোগ গ্রহণ’ শীর্ষক এক রাজ্যভিত্তিক MSME সচেতনতা ও প্রচার কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এই অনুষ্ঠানে রাজ্যের উদীয়মান শিল্প সম্ভাবনা ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের এক উজ্জ্বল চিত্র তুলে ধরা হয়।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন রাজ্য বাণিজ্য ও শিল্প দপ্তরের অধিকর্তা ড. দীপক কুমার। তিনি জানান, বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে স্থানীয় উদ্যোক্তাদের জন্য এই ধরণের উদ্যোগ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
প্রধান বক্তা হিসেবে কেন্দ্রীয় বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রকের যুগ্ম সচিব ড. সি. ভাওলালরামসাঙ্গা বলেন, “দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যকে বিশ্বমঞ্চে প্রতিযোগিতামূলক করে তুলতে কেন্দ্র সরকার একাধিক সুবিধা দিচ্ছে। ফ্রি ট্রেড এগ্রিমেন্টের সুযোগ নিয়ে ত্রিপুরার ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি বা MSME উদ্যোক্তারা খুব সহজেই আন্তর্জাতিক বাজারে নিজেদের পসরা পৌঁছে দিতে পারেন।”
সচেতনতা শিবিরে পূর্ত দপ্তরের সচিব কিরণ গিত্যে রাজ্যের বর্তমান শিল্পবান্ধব পরিবেশের ওপর বিশেষ জোর দেন। তিনি সাফ জানান, রাজ্যে ব্যবসার এখন সুবর্ণ সময় চলছে। উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা, মজবুত সরকারি পরিকাঠামো এবং কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের নানা আর্থিক ভর্তুকির কারণে ছোট-বড় সব ধরনের ব্যবসার জন্য রাজ্যের মাটি এখন অত্যন্ত উর্বর।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশের পাশাপাশি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর সাথে ত্রিপুরার বাণিজ্যের বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। স্থানীয় তরুণ উদ্যোক্তাদের কেবল দেশীয় বাজারেই নয়, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের মানচিত্রে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করার এটিই মোক্ষম সময়।



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *