রাজনগর বিধানসভা এলাকার গাবতলী এলাকার এক বাড়িতে অভিযান চালিয়ে পুলিশ পাঁচ লক্ষ টাকা উদ্ধার করে।গ্রেফতার করা হয় প্রসেনজিৎ দাস নামে আরো এক যুবককে। এদিন উভয়কেই পুলিশ সোপর্দ করে আদালতে। বিচারক ধৃতদের পুলিশ রিমান্ডে পাঠিয়ে দেয়। পুলিশ তাদের শুরু করেছে জিজ্ঞাসাবাদ।
ডেস্ক রিপোর্টার,৭ জানুয়ারি।।
অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্রে থিক থিক করছে গোটা রাজ্য। রাজ্য জুড়েই অপরাধীদের হাতে পৌঁছে গিয়েছে স্বয়ংক্রিয় আগ্নেয়াস্ত্র। ধর্মনগর থেকে সাব্রুম সব জায়গাতেই একই অবস্থা। সঙ্গে অবৈধভাবে উপার্জন করা কালো টাকার ভান্ডার। মঙ্গলবার ভোর রাতে দক্ষিণ জেলার পি আর বাড়ি থানার পুলিশ একটি পিস্তল সহ এক যুবককে গ্রেফতার করে। তার নাম সৌমেন শীল। বাড়ি বিলোনিয়া বড়পথারি। তার গ্রেফতারের সূত্র ধরে রাজনগর বিধানসভা এলাকার গাবতলী এলাকার এক বাড়িতে অভিযান চালিয়ে পুলিশ পাঁচ লক্ষ টাকা উদ্ধার করে।গ্রেফতার করা হয় প্রসেনজিৎ দাস নামে আরো এক যুবককে। এদিন উভয়কেই পুলিশ সোপর্দ করে আদালতে। বিচারক ধৃতদের পুলিশ রিমান্ডে পাঠিয়ে দেয়। পুলিশ তাদের শুরু করেছে জিজ্ঞাসাবাদ।

পি আর বাড়ি থানা পুলিশের বক্তব্য, মঙ্গলবার ভোর রাতে থানার সামনে থাকা নাকা পয়েন্টে যানবাহনে তল্লাশি চালায় কর্তব্যরত পুলিশ কর্মীরা। এমন সময় বাইক নিয়ে পুলিশের নাকা পয়েন্টের সামনে চলে আসে সৌমেন শীল। তার কথাবার্তায় সন্দেহ হওয়াতে পুলিশ তাকে ও বাইকে তল্লাশি করে। এমন সময় তার কাছে থাকা পিস্তলের সন্ধান পায় পুলিশ। সঙ্গে সঙ্গে তাকে গ্রেফতার করে। এবং নিয়ে যায় থানায়।

পুলিশ ধৃত সৌমেন শীলের কাছ থেকে একটি পিস্তল ছাড়াও দুইটি তাজা কার্তুজ ও একটি ম্যাগাজিন উদ্ধার করে। পুলিশের টানা জিজ্ঞাসাবাদে ধৃত সৌমেন উগলে দেয় রাজনগরের গাবতলীর বাসিন্দা প্রসেনজিৎ দাসের নাম। পুলিশ প্রসেনজিৎ দাসের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে উদ্ধার করে পাঁচ লক্ষ টাকা। এবং গ্রেফতার করে তাকে। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, সৌমেন শীল পিস্তলটি সংগ্রহ করেছে প্রসেনজিতের কাছ থেকেই।

