কৈলাসহর ডেস্ক, ৯মার্চ।।
রাজ্যে ফের ন্যাক্কার জনক ঘটনা। সালিশি সভায় আক্রান্ত হলো নবম শ্রেণীর ছাত্র। অবশ্যই দুষ্কৃতীদের হামলা থেকে রেহায় পান নি ছাত্রের মা । আক্রান্তরা হলো আব্দুল মুতলিব। তার মা নাজমা বেগম। ঘটনা কৈলাসহরের গৌরনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের তিন নম্বর ওয়ার্ডে। থানায় মামলা দায়ের করার পরও পুলিশ অভিযুক্তদের গ্রেফতার করছে না। অভিযুক্তর হলো ইয়ামিছ আলী, সাকিল আলী এবং আহাদ উল্যা। অভিযোগ, অভিযুক্ত লোকজন শাসক দল বিজেপির কর্মী – সমর্থক। তাই পুলিশ তাদেরকে গ্রেফতার করছে না। ঘটনার নেপথ্যে প্রতিবেশী দুই নাবালক ছেলের ঝগড়া।
বাসিন্দারা জানিয়েছেন, গৌরনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের তিন নম্বর ওয়ার্ডের দুই নাবালক আব্দুল মুতলিব ও সাকিল আলী। রবিবার রাতে তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়। এই ঝগড়া কেন্দ্র করে জড়িয়ে যায় দুই পরিবারের লোকজনও। শেষে ঘটনা মিটমাট করতে সালিশি সভার আয়োজন করা হয় এলাকার এক মাতব্বরের বাড়িতে। সেখানে যায় আব্দুল ও তার মা নাজমা বেগম। সালিশি সভাতে যাওয়ার পরেই সাকিল আলীর বাবা ইয়ামিছ আলী ও তার লোকজন নাজমা বেগম ও তার ছেলে আব্দুলকে আক্রমণ করে। চিৎকার চেঁচামেচি শুনে আশপাশের আরো লোকজন ছুটে আসে। রক্তাক্ত অবস্থায় নবম শ্রেণীর ছাত্র আব্দুল ও তার মাকে নিয়ে যাওয়া হয় ঊনকোটি জেলা হাসপাতালে। তারা বর্তমানে সেখানেই চিকিৎসাধীন।ইয়ামিছ আলী ও তার লোকজনের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। কিন্তু অভিযুক্তরা শাসকদলের ছত্রছায়ায় থাকাতে কৈলাসহর থানার পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করার দুঃসাহস দেখাতে পারছে না। পুলিশের এই ভূমিকা কেন্দ্র করে তপ্ত হয়ে উঠছে গোটা মহল্লা।

