সফরের দ্বিতীয় দিনে তিনি সাক্ষাৎ করেন বিজেপির সর্ব ভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীনের সঙ্গে। রাজ্যের সাংগঠনিক নানান বিষয় নিয়ে কথা বলেন। আলোচনায় উঠে আসে রাজ্যের পরবর্তী প্রদেশ সভাপতি নামও। রাজ্যের বেশ কয়েকজন নেতার নাম নিয়ে নীতিন নবীনের সঙ্গে আলোচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী।

ডেস্ক রিপোর্টার, ২৭ মে।।
           রাজ্যে আসন্ন ভিলেজ কমিটি নির্বাচন ও পুর ভোটের প্রাক লগ্নে মুখ্যমন্ত্রীর ম্যারাথন দিল্লি সফর রাজনৈতিক ভাবে যথেষ্ট তাৎপর্য পূর্ন। দিল্লি সফরের প্রথম দিনে মুখ্যমন্ত্রী সাক্ষাৎ করেছিলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে। সফরের দ্বিতীয় দিনে তিনি সাক্ষাৎ করেন বিজেপির সর্ব ভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীনের সঙ্গে। রাজ্যের সাংগঠনিক নানান বিষয় নিয়ে কথা বলেন। আলোচনায় উঠে আসে রাজ্যের পরবর্তী প্রদেশ সভাপতি নামও। রাজ্যের বেশ কয়েকজন নেতার নাম নিয়ে নীতিন নবীনের সঙ্গে আলোচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী।


নীতিন নবীনের সঙ্গে সাক্ষাতের পর মুখ্যমন্ত্রী ধারাবাহিক ভাবে সাক্ষাৎ করেন  সর্ব ভারতীয় বিজেপির সাংগঠনিক সাধারণ সম্পাদক বি এল সন্তোষের সঙ্গে। আলোচনা কালে প্রদেশ বিজেপির সাংগঠনিক বিষয় উঠে আসে।
এছাড়া কেন্দ্রীয় ডোনার মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য  সিন্ধিয়ার সঙ্গে।ভারত সরকারের উত্তর-পূর্বাঞ্চল উন্নয়ন মন্ত্রকের অধীনে একটি যুগান্তকারী ৩-বছর মেয়াদী ২৩৬ কোটি টাকার  ‘মিশন কুইন আনারস ত্রিপুরা ‘ প্রকল্পটি আনুষ্ঠানিক ভাবে চালু করেন মুখ্যমন্ত্রী। তার জন্য করেন ভার্চুয়াল বৈঠক। এরপর ধারাবাহিক ভাবে অন্যান্য কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও বিজেপির সর্ব ভারতীয় নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন মুখ্যমন্ত্রী।


রাজনীতিকরা বলছেন, মুখ্যমন্ত্রীর এবারের দিল্লি সফর ত্রিপুরার জন্য রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ভাবে যথেষ্ট তাৎপর্য পূর্ন। কেননা, চলতি বছর রাজ্যের ভিলেজ কমিটি নির্বাচন, পুর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই সমস্ত নির্বাচনে বিজেপির রণ কৌশল কী হবে? মূলত দিল্লি সফরে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে তারই প্রাথমিক মহড়া নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *