Oplus_16908288

এই মামলার অভিযুক্তদের অন্যতম উৎপল চৌধুরীকে গত মাস ছয়েক আগে গ্রেফতার করেছিলো ইডি। আগরতলার রবীন্দ্রকানুনের পাশের একটি অ্যাপার্টম্যান্টে উৎপল  একটি ফ্ল্যাট ক্রয় করেছিল। এই ফ্ল্যাটেও দফাওয়াড়ি  অভিযান চালিয়েছিল। ইডি তখন দাবি করেছিল উৎপল নিজেকে রাজ্য উচ্চ শিক্ষা দপ্তরের আধিকারিক পরিচয় দিয়ে বহিঃ রাজ্যের একটি সংস্থাকে টেন্ডার পাইয়ে দেওয়ার নাম করে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিয়েছিল।

ডেস্ক রিপোর্টার, ৬ জুলাই।।
               দুর্নীতির অক্টোপাসে জড়িয়ে গিয়েছে রাজ্য প্রশাসন।প্রকাশ্যে এলো মস্ত বড় আর্থিক কেলেঙ্কারি।রাজ্যের সিনিয়র আইএএস অফিসার অভিষেক চন্দ্রা -র বিরুদ্ধে উঠেছে আর্থিক  প্রতারণার অভিযোগ।মামলা দায়ের করা হয়েছে আইএএস  অভিষেক চন্দ্র-র বিরুদ্ধে। সঙ্গে আরো তিন জন।অভিযুক্তরা হলো সুদীপ পাল,
কৃষ্ণ চক্রবর্তী ও উৎপল চৌধুরী। শহরের এনসিসি থানায় দায়ের করা হয়েছে মামলা।
      এনসিসি থানার পুলিশ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি ষড়যন্ত্র, প্রতারণা, জালিয়াতি-সহ একাধিক  অপরাধের ধারায় মামলা রুজু করেছে।মামলা দায়ের করেছেন নাগপুরের এক ব্যবসায়ী। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। তবে এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা হয় নি।


        অভিযোগকারী ব্যবসায়ী জানিয়েছেন,” তিনি নাগপুরের এসকে সেলস কর্পোরেশন-র প্রতিনিধিত্ব করেন। ২০২৪ সালের শুরুতে এক পরিচিত ব্যক্তির মাধ্যমে তাঁর সঙ্গে আইএএস অফিসার অভিষেক চন্দ্রার পরিচয় হয়। , অভিষেক চন্দ্রা তখন নিজেকে ত্রিপুরা সরকারের বিভিন্ন টেন্ডার প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত আধিকারিক বলে দাবি করেন। এবং তাঁর কথাতেই রাজ্য সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের টেন্ডার পাইয়ে দেওয়া হয়। মিড-ডে মিল-সহ একাধিক সরকারি প্রকল্পে ব্যবসার সুযোগের আশ্বাস দেন অভিষেক চন্দ্রার।


অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে কৃষ্ণ চক্রবর্তীর সঙ্গে এসকে সেলস কর্পোরেশন যৌথ উদ্যোগে একটি   সরকারি টেন্ডারে অংশগ্রহণ করে। অভিষেক চন্দ্রার নির্দেশে উচ্চশিক্ষা অধিকর্তার দপ্তরের নামে একাধিক ডিমান্ড ড্রাফটের মাধ্যমে “আর্নেস্ট মানি” জমা করে। তাতেই শেষ নয়। দুর্নীতির রুট ছিলো আরও গভীরে।


নাগপুরের এসকে সেলস কর্পোরেশনকে ২কোটি ৫৬ লক্ষ টাকার কাজের একটি ভুয়ো ওয়ার্ক অর্ডার দেখিয়ে আদায় করা হয় অর্থ।  তথ্য অনুযায়ী, “২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারির মধ্যে মোট ১৪ কোটি ৫৫ লাখ ৪২ হাজার ৯৪৫ টাকা বিভিন্ন পর্যায়ে স্থানান্তর করা হয়েছে। এই তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে থানায় দায়ের করা অভিযোগ পত্রে।”

    একটা সময় নাগপুরের এসকে সেলস কর্পোরেশনের কাছে অভিষেক চন্দ্রা সহ সুদীপ পাল, কৃষ্ণ চক্রবর্তী ও উৎপল চৌধুরীর প্রতারণার স্পষ্ট হয়ে যায়। এরপর তারা আলোচনার মাধ্যমে টাকা ফেরত চায়। কিন্তু আইএএস অভিষেক চন্দ্রার সহ বাদবাকি প্রতারকরা টাকা ফেরৎ দিতে রাজি হয় নি। শেষ পর্যন্ত নাগপুরের এসকে সেলস কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষ থানা পুলিশের দ্বারস্থ হতে বাধ্য হন।

অভিযুক্ত উৎপল চৌধুরী

এই মামলার অভিযুক্তদের অন্যতম উৎপল চৌধুরীকে গত মাস ছয়েক আগে গ্রেফতার করেছিলো ইডি। আগরতলার রবীন্দ্রকানুনের পাশের একটি অ্যাপার্টম্যান্টে উৎপল  একটি ফ্ল্যাট ক্রয় করেছিল। এই ফ্ল্যাটেও দফাওয়াড়ি  অভিযান চালিয়েছিল। ইডি তখন দাবি করেছিল উৎপল নিজেকে রাজ্য উচ্চ শিক্ষা দপ্তরের আধিকারিক পরিচয় দিয়ে বহিঃ রাজ্যের একটি সংস্থাকে টেন্ডার পাইয়ে দেওয়ার নাম করে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিয়েছিল।



  




           




Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *