ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা মফিজুল ইসলাম, আমিল হক ও চন্দনদের ঠিকুজি সংগ্রহ করেছে। তালিকায় আছেন রাজ্য পুলিশের এএসপিও।গোয়েন্দার রাডারে ধরা পড়েছে তাদের ড্রাগস মার্কেটের সমস্ত কার্যকলাপ। যেকোনো সময় গোয়েন্দা তাদের পিঠে ক্রেন লাগিয়ে তুলে নিতে পারে। এমনই আভাস কেন্দ্রীয় গোয়েন্দার শীর্ষ কর্তাদের।
ডেস্ক রিপোর্টার, ৪ জুলাই।। আগরতলা রেল স্টেশনের “এসকফ চালান” কাণ্ডে সামনে এলো হাড়হিম করা তথ্য। এই ঘটনার সঙ্গে যোগসূত্র খুঁজে পাওয়া গিয়েছে সোনামুড়ার দুই মাদক কারবারীর। নাম উঠে এসেছে মোহনপুরের এক মাদক কারবারীরও। এই র্যাকেটের সঙ্গে লিঙ্ক রয়েছে রাজ্য পুলিশের একজন অ্যাডিশানাল এসপি’র। তথ্য কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সূত্রের।
নাম: আমিল হক ওরফে মনির হোসেন। বাড়ি: বাঁশপুকুর, সোনামুড়া ।
নাম: চন্দন দেব। বাড়ি: মোহনপুর
মাদক চক্রের সঙ্গে ওতপ্রোত ভাবে জড়িত রাজ্য পুলিশের একজন এএসপি।কেন্দ্রীয় গোয়েন্দার রাডারে ভাসছেন তিনিও ।
গোয়েন্দার প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, সোনামুড়ার বাসিন্দা মফিজুল ইসলাম ওরফে রিমন গাগী। আমিল হক ওরফে মনির হোসেন এবং মোহনপুরের বাসিন্দা চন্দন আগরতলা রেল স্টেশনের “এসকফ চালান” কাণ্ডে জড়িত।তাদের নেটওয়ার্কে রয়েছে আরও কয়েকজন। চাই । , মাদক চক্রের সঙ্গে ওতপ্রোত ভাবে জড়িত রাজ্য পুলিশের একজন এএসপি।কেন্দ্রীয় গোয়েন্দার রাডারে ভাসছেন তিনিও । পুলিশ কর্তার আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতি পূর্ন সম্পত্তির উপর ইতিমধ্যে নজর দিয়েছে ইডি। যেকোনো সময় কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা রাজ্য পুলিশের এই এএসপিকে গ্রেফতার করতে পারে। এই সংক্রান্ত তথ্য ঘুরপাক খাচ্ছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দার রাডারে।
যেকোনো সময় গোয়েন্দা তাদের পিঠে ক্রেন লাগিয়ে তুলে নিতে পারে!
দেশের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দার প্রাপ্ত তথ্য বলছে, দীর্ঘ দিন ধরেই মাদক সাম্রাজ্যের সঙ্গে জড়িত মফিজুল – আমিল ও চন্দনরা । আর ডুবে ডুবে নেশা কারবারের মধু খাচ্ছিলেন রাজ্য পুলিশে কর্মরত এএসপি। যার সঙ্গে রয়েছে মোহনপুরের নাড়ির টান।ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা মফিজুল ইসলাম, আমিল হক ও চন্দনদের ঠিকুজি সংগ্রহ করেছে। তালিকায় আছেন রাজ্য পুলিশের এএসপিও।গোয়েন্দার রাডারে ধরা পড়েছে তাদের ড্রাগস মার্কেটের সমস্ত কার্যকলাপ। যেকোনো সময় গোয়েন্দা তাদের পিঠে ক্রেন লাগিয়ে তুলে নিতে পারে। এমনই আভাস কেন্দ্রীয় গোয়েন্দার শীর্ষ কর্তাদের।
সোনামুড়ার দুই মাদক কারবারি মফিজুল ইসলাম, আমিল হক নিয়মিত আসা – যাওয়া করে দুবাইয়ে।
তথ্য বলছে, সোনামুড়ার দুই মাদক কারবারি মফিজুল ইসলাম, আমিল হক নিয়মিত আসা – যাওয়া করে দুবাইয়ে। উত্তর প্রদেশ ও ব্যাঙ্গালুরুতে আছে তাদের স্থায়ী আস্তানা। দুবাই সহ দেশের এই দুই রাজ্যে এরা নিয়মিত করে আসা – যাওয়া। অর্থাৎ পরিষ্কার দেশের ভিন রাজ্য ও বিদেশেও মজিজুল – আমিলদের মাদক সিন্ডিকেটের নিটোল নেটওয়ার্ক রয়েছে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যেই মফিজুল ইসলাম তার গোটা পরিবার নিয়ে যাবে দুবাইয়ে। এই খবরও রয়েছে গোয়েন্দার কাছে।
তাদের সর্বশেষ রোমাঞ্চকর অভিযান ছিলো আগরতলা রেল স্টেশনে এসকফের চালান রাজ্যে প্রবেশ করানো।
শুধু তাই নয়, ওপার সীমান্তে বাংলাদেশেও নিয়মিত পদচারণা করে মফিজুল – , আমিলরা। তাদের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশের মাদক ব্যবসার নিজস্ব নেটওয়ার্ক তৈরি করেছে মোহনপুর সীমান্ত গ্রামের যুবক চন্দন। আগরতলা শহর ও আশপাশ অঞ্চলে চন্দনের ৮ থেকে ৯ টি বাড়ি ও দোকান ভিট রয়েছে। বর্তমানে চন্দন প্রকাশ্যে করছে বেকারি ব্যবসা।
মজিজুল – আমিল- চন্দনদের মাদক সিন্ডিকেটের কথা এখন ওপেন সিক্রেট।
আর এই বেকারি ব্যবসার আড়ালেই চলছে তার রমরমা মাদক কারবার। মজিজুল – আমিল- চন্দনদের মাদক সিন্ডিকেটের কথা এখন ওপেন সিক্রেট। তাদের সর্বশেষ রোমাঞ্চকর অভিযান ছিলো আগরতলা রেল স্টেশনে এসকফের চালান রাজ্যে প্রবেশ করানো। এযাত্রায় থমকে গিয়েছে তাদের মাদক পণ্যের অভিযান।তাই দেশের গোয়েন্দার আতুর ঘরে ঝানু গোয়েন্দা আধিকারিকরা তৈরি করেছে মজিজুল – আমিল- চন্দনদের পূর্ণাঙ্গ ঠিকুজি। এখন গ্রেফতার শুধু সময়ের অপেক্ষা ।