ডেস্ক রিপোর্টার,৩ নভেম্বর।।
দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে ৭০ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের প্রায় ৩ কোটি ৫০ লক্ষ ২০ টাকার জাল কয়েন। হরিয়ানার সোনিপত জেলায় নাটবল্টু তৈরির কারখানার আড়ালে বিগত ১০ মাস ধরে এই বিশাল জালিয়াতির কারবার চালাচ্ছিল একটি চক্র। হরিয়ানা, দিল্লি, পঞ্জাব, উত্তরপ্রদেশ, বিহার ও ঝাড়খণ্ড— এই ছয় রাজ্যে বিস্তৃত ছিল তাদের জাল। সাহরানপুর থানার পুলিশের যৌথ অভিযানে এই চক্রের ৫ জন এবং পরে বিহারের মধুবনী থেকে আরও এক জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
পুলিশ গোপন সূত্রে খবর পেয়ে গত ১৩ সেপ্টেম্বর উত্তরপ্রদেশের সাহরানপুর ও তীতরোঁ এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। সেখান থেকে উপকার লুথরা ওরফে অভয়প্রতাপ সিংহ, হিমাংশু ওরফে গুল্লু, কূলদীপ, সন্তোষ চৌরাসিয়া এবং অনুরাগ পালকে গ্রেফতার করা হয়। পরে বিহার পুলিশের সহযোগিতায় মধুবনী থেকে মিথিলেশ চৌরাসিয়াকেও পাকড়াও করা হয়। ধৃতদের কাছ থেকে ছ’টি বিরাট যন্ত্র, ৬,৪০০টি ভুয়ো ২০ টাকার কয়েন এবং বিপুল পরিমাণ অসম্পূর্ণ কয়েন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।
তদন্তে জানা গিয়েছে, মূলচক্রী উপকার লুথরা পেশায় একসময়ের স্বর্ণকার হওয়ায় নিখুঁত কয়েন তৈরির কৌশল জানতেন। তিহাড় জেলে বন্দি থাকার সময় অন্যান্য অভিযুক্তদের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয় এবং সেখান থেকেই এই চক্রের পরিকল্পনা দানা বাঁধে। প্রথমে দিল্লির কারখানায় অ্যালুমিনিয়াম, তামা ও নিকেলের সংমিশ্রণে ধাতব পাত তৈরি করে, বিশেষ ছাঁচ এবং ভারী যন্ত্রের সাহায্যে সেগুলিতে আসল ২০ টাকার নকশা ফুটিয়ে তোলা হতো।

ডেস্ক রিপোর্টার,৩ নভেম্বর।।
দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে ৭০ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের প্রায় ৩ কোটি ৫০ লক্ষ ২০ টাকার জাল কয়েন। হরিয়ানার সোনিপত জেলায় নাটবল্টু তৈরির কারখানার আড়ালে বিগত ১০ মাস ধরে এই বিশাল জালিয়াতির কারবার চালাচ্ছিল একটি চক্র। হরিয়ানা, দিল্লি, পঞ্জাব, উত্তরপ্রদেশ, বিহার ও ঝাড়খণ্ড— এই ছয় রাজ্যে বিস্তৃত ছিল তাদের জাল। সাহরানপুর থানার পুলিশের যৌথ অভিযানে এই চক্রের ৫ জন এবং পরে বিহারের মধুবনী থেকে আরও এক জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
পুলিশ গোপন সূত্রে খবর পেয়ে গত ১৩ সেপ্টেম্বর উত্তরপ্রদেশের সাহরানপুর ও তীতরোঁ এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। সেখান থেকে উপকার লুথরা ওরফে অভয়প্রতাপ সিংহ, হিমাংশু ওরফে গুল্লু, কূলদীপ, সন্তোষ চৌরাসিয়া এবং অনুরাগ পালকে গ্রেফতার করা হয়। পরে বিহার পুলিশের সহযোগিতায় মধুবনী থেকে মিথিলেশ চৌরাসিয়াকেও পাকড়াও করা হয়। ধৃতদের কাছ থেকে ছ’টি বিরাট যন্ত্র, ৬,৪০০টি ভুয়ো ২০ টাকার কয়েন এবং বিপুল পরিমাণ অসম্পূর্ণ কয়েন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।
তদন্তে জানা গিয়েছে, মূলচক্রী উপকার লুথরা পেশায় একসময়ের স্বর্ণকার হওয়ায় নিখুঁত কয়েন তৈরির কৌশল জানতেন। তিহাড় জেলে বন্দি থাকার সময় অন্যান্য অভিযুক্তদের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয় এবং সেখান থেকেই এই চক্রের পরিকল্পনা দানা বাঁধে। প্রথমে দিল্লির কারখানায় অ্যালুমিনিয়াম, তামা ও নিকেলের সংমিশ্রণে ধাতব পাত তৈরি করে, বিশেষ ছাঁচ এবং ভারী যন্ত্রের সাহায্যে সেগুলিতে আসল ২০ টাকার নকশা ফুটিয়ে তোলা হতো।

