
ডেস্ক রিপোর্টার,২৯জানুয়ারি।।
উত্তর জেলাতে মহা সঙ্কটে বিজেপি।প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হওয়ার পর সমস্যায় মাথা চারা দিয়ে উঠেছে। টিকিট না পেয়ে বেকে বসেছেন যুবরাজ নগর কেন্দ্রের নেতা তথা ডা: তমজিত নাথ। তবে তিনি প্রকাশ্যে কিছু না বললেও তার অনুগামীদের একটা অংশ দল ছেড়ে দিয়েছে। শনিবার রাতে তমজিতের অনুগামী নিহারেন্দু নাথ সঙ্গাবাদিক বৈঠক করে বিজেপিকে আলবিদা জানিয়েছেন।সঙ্গে আরও ৬০জন বিভিন্ন স্তরের নেতা।তাদের অভিযোগ, যুবরাজ নগর বিধানসভা কেন্দ্রে এ টু জেড দুর্নীতি চলছে।দলের শীর্ষ নেতৃত্বকে জানিয়েও কোনো লাভ হয়নি। তাই তারা দুর্নীতি গ্রস্থ নেতা – কর্মীদের সঙ্গে সংশ্রব ত্যাগ করার জন্য বিজেপিকে ছেড়ে দিয়েছে।
খবর অনুযায়ী, এই সমস্ত নেতাদের কাছে প্রায় তিন হাজার ভোট রয়েছে। স্বাভাবিক ভাবেই বিজেপির ভোট ব্যাংকে একটা প্রভাব পড়বে।তাদের কথায়, স্থানীয় বিধায়ক মলিনা নাথ দাস এখন নাথ সম্প্রদায়ের নয়।বৈবাহিক সূত্রে তিনি দাস।অথচ এই কেন্দ্রে নাথ সম্প্রদায়ের লোকজনের ভোটের উপর নির্ভর করছে প্রার্থীর জয় পরাজয়। যারা সর্বক্ষণ কাজ করছে,দল তাদের কোনো মূল্যায়ন করে না। সব মিলিয়ে দলীয় নেতৃত্বের প্রতি বীতশ্রদ্ধ হয়ে যুবরাজ নগর মণ্ডলের যুব মোর্চার সহ সভাপতি নিহরেন্দু নাথ সহ ৬০জন দল ছেড়ে বেড়িয়ে যায়। খবর বিজেপির ডক্টর সেলের নেতা তমজিত নাথের নির্দেশেই এরা দল ছেড়েছে। তবে এখনো অন্য কোনো দলের যোগ দেওয়ার কথা তারা জানায় নি।

এদিকে উত্তর জেলার বাগবাসা বিধানসভা কেন্দ্রও জ্বলছে তুষের আগুনের মতো। প্রার্থী যাদব লাল নাথকে তারা মেনে নিতে পারছে না।যাদব বহিরাগত।তাছাড়া তার বিরুদ্ধে তুলেছে দুর্নীতির অভিযোগ। বাগবাসা থেকে প্রার্থী হওয়ার কথা ছিলো মণ্ডল সভাপতি সুদীপ দেবের।কিন্তু তাকে প্রার্থী করেনি দল। বিজেপি প্রার্থী ঘোষণা দেওয়ার পর পরই গোটা বিধানসভা এলাকায় দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর শুরু হয়। খবর অনুযায়ী, মণ্ডল সভাপতি সুদীপ নাথ নির্দল থেকে মনোনয়ন পত্র জমা করবেন।ইতিমধ্যে সুদীপ প্রার্থী হবে নিশ্চিত ভেবে নিজের নামে ফ্ল্যাগ ফেস্টুন তৈরি করে রেখেছিলেন।কিন্তু তা কোনো কাজে আসেনি। নেতারা তার মূল্যায়ন করে নি।
