ধারাবাহিক আন্দোলনের মধ্যে সোমবার বিকালে শিল্প পুলিশ-২ আশুলিয়া আঞ্চলের পুলিশ সুপার মো. মুমিনুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, সাভার-আশুলিয়া অঞ্চলে ২৬৪টি কারখানা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।এছাড়া পিকার্ড বাংলাদেশ লিমিটেড, আর্টিস্টিক ডিজাইন, জনরন সোয়েটার লিমিটেড, ফেরারী গার্মেন্টস লিমিটেড, ডেনিটেক্স লিমিটেড, আনলিমা টেক্সটাইল লিমিটেড, আল ইসলাম টেক্সটাইল লিমিটেড এবং জি কিউ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। আর্টিস্টিক ফ্যাক্টরির সামনে শ্রমিকরা বিক্ষোভের সময় অগ্নিসংযোগ করেন।
#সমীরণ রায়#
________________
ঢাকা ডেস্ক, ২রা নভেম্বর।।
বাংলাদেশে তৈরি পোশাক শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধির আন্দোলনে সহিংসতা ও ভাঙচুরের মধ্যে রাজধানীর ঢাকার সাভার ও আশুলিয়ায় এবং গাজীপুরের শিল্পাঞ্চলের প্রায় ৪০০ কারখানায় ছুটি ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে সাভার ও আশুলিয়া অঞ্চলে ২৬৪টি এবং গাজীপুরে দেড় শতাধিক কারখানায় সোমবারের জন্য ছুটি ঘোষণা করা হয়। এ ছাড়া ৮টি কারখানায় ভাঙচুরের কথা জানিয়েছে শিল্প পুলিশ। আন্দোলনের মধ্যে শ্রমিকদের সঙ্গে সংঘর্ষে ১২ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন এবং দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
ধারাবাহিক আন্দোলনের মধ্যে সোমবার বিকালে শিল্প পুলিশ-২ আশুলিয়া আঞ্চলের পুলিশ সুপার মো. মুমিনুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, সাভার-আশুলিয়া অঞ্চলে ২৬৪টি কারখানা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।এছাড়া পিকার্ড বাংলাদেশ লিমিটেড, আর্টিস্টিক ডিজাইন, জনরন সোয়েটার লিমিটেড, ফেরারী গার্মেন্টস লিমিটেড, ডেনিটেক্স লিমিটেড, আনলিমা টেক্সটাইল লিমিটেড, আল ইসলাম টেক্সটাইল লিমিটেড এবং জি কিউ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। আর্টিস্টিক ফ্যাক্টরির সামনে শ্রমিকরা বিক্ষোভের সময় অগ্নিসংযোগ করেন।
অপরদিকে, শিল্প পুলিশ-২ গাজীপুর অঞ্চলের পুলিশ সুপার আমজাদ হোসেন দুপুরে বলেন, সোমবারও শ্রমিকরা বিক্ষোভ করছেন। বিক্ষোভকালে শ্রমিকরা পুলিশের গাড়িতে অগ্নিসংযোগ এবং বাস-ট্রাক ভাঙচুর করেছে। শ্রমিক আন্দোলনের কারণে দেড় শতাধিক কারখানা ছুটি দেওয়া হয়েছে। এদিন সকাল থেকে কোনাবাড়ী, সফিপুর, মৌচাক ও পল্লীবিদ্যুৎ এলাকার বিভিন্ন পোশাক কারখানার শ্রমিকরা মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করছেন। মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে অবস্থানের পাশাপাশি শিল্পাঞ্চলের কারখানাগুলোর ফটকেও সতর্ক অবস্থান নেয় পুলিশ ও শিল্প পুলিশ।
এদিকে, ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবিতে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ সংযোগ সড়ক অবরোধ করেছেন কয়েকটি পোশাক কারখানার শ্রমিকরা। তবে কোনো কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়নি।

