এই ঘটনায় বন দপ্তর কিছুটা প্রশংসা অর্জন করতে পারলেও, সামগ্রিকভাবে জেলা জুড়ে তাদের ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ ও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে অভিজ্ঞ মহলে।অভিজ্ঞ মহলের মতে, খোয়াই জেলায় বনাঞ্চল রক্ষা করার জন্য বন দপ্তরের কোনো বিশেষ ‘গোপন খবরের’ প্রয়োজন পড়ে না। কারণ, কাঠ পাচার এখন পাচারকারীদের নিত্যদিনের কর্মকাণ্ডে পরিণত হয়েছে।

ডেস্ক রিপোর্টার, ৮ জুন।।
            রাজ্যে বনদস্যুদের উৎপাত অব্যাহত।এরা উজাড় করে দিচ্ছে রাজ্যের বনভূমি।অপরদিকে রাজ্যের বন রক্ষীদের হাতে মাঝে মধ্যে ধরা পড়ছে চোরাই কাঠ। প্রাপ্ত খবরের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে দুটি ছোট পিকআপ গাড়ি থেকে আনুমানিক ১৮০ ফুট অবৈধ চোরাই কাঠ উদ্ধার করল খোয়াই জেলা বন দপ্তর। উদ্ধারকৃত কাঠের বাজার মূল্য কয়েক লক্ষাধিক টাকা বলে জানা গেছে। সোমবার সকালে খোয়াই মহকুমার ওয়ারেন্টবাড়ি এলাকায় খোয়াই বন দপ্তরের মহকুমা আধিকারিক, খোয়াই রেঞ্জ অফিসার এবং বাইজালবাড়ি থানার যৌথ সহযোগিতায় এই অভিযানটি চালানো হয়।
            এই ঘটনায় বন দপ্তর কিছুটা প্রশংসা অর্জন করতে পারলেও, সামগ্রিকভাবে জেলা জুড়ে তাদের ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ ও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে অভিজ্ঞ মহলে।অভিজ্ঞ মহলের মতে, খোয়াই জেলায় বনাঞ্চল রক্ষা করার জন্য বন দপ্তরের কোনো বিশেষ ‘গোপন খবরের’ প্রয়োজন পড়ে না। কারণ, কাঠ পাচার এখন পাচারকারীদের নিত্যদিনের কর্মকাণ্ডে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিন রাতের অন্ধকারে শত শত মূল্যবান কাঠ বোঝাই পিকআপ ভ্যান জাতীয় সড়ক ধরে বুক ফুলিয়ে পাচার হয়ে যাচ্ছে। অথচ সেই সময় বন দপ্তরের কোনো সক্রিয় ভূমিকা চোখে পড়ে না।
        অভিযোগ শুধু রাতের অন্ধকারেই নয়, প্রকাশ্য দিবালোকেও বনাঞ্চলের ভেতরে পেট্রোল চালিত করাত ইঞ্জিন দিয়ে গাছ কেটে সাফ করে দিচ্ছে বনদস্যুরা। ইঞ্জিনের বিকট শব্দ রেঞ্জ অফিসের ডেডলাইন পর্যন্ত পৌঁছালেও বন দপ্তর এক প্রকার নিশ্চুপ ভূমিকা পালন করে চলেছে। এই রহস্যজনক নীরবতার পেছনে কী কারণ বা যোগসূত্র রয়েছে, তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *