অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা নার্সদের “স্বাস্থ্য পরিষেবার মেরুদণ্ড” হিসেবে আখ্যায়িত করেন। ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেলের সেবা ও মানবতার আদর্শকে স্মরণ করে তিনি বলেন, নার্সদের অক্লান্ত পরিশ্রম ও সহানুভূতি ছাড়া চিকিৎসা ব্যবস্থা অচল।

ডেস্ক রিপোর্টার, ১৭ মে।।
             আন্তর্জাতিক নার্স দিবস উপলক্ষে রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সার্বিক উন্নয়নে এবং নার্সিং পেশার প্রতি সম্মান জানিয়ে একাধিক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এই বিশেষ দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে একটি স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবিরেরও আয়োজন করা হয়।
    অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা নার্সদের “স্বাস্থ্য পরিষেবার মেরুদণ্ড” হিসেবে আখ্যায়িত করেন। ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেলের সেবা ও মানবতার আদর্শকে স্মরণ করে তিনি বলেন, নার্সদের অক্লান্ত পরিশ্রম ও সহানুভূতি ছাড়া চিকিৎসা ব্যবস্থা অচল।
   রবিবার রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের উদ্যোগে আয়োজিত এই স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবিরে বিপুল সংখ্যক রক্তদাতার অংশগ্রহণকে মুখ্যমন্ত্রী সাধুবাদ জানান। তিনি উল্লেখ করেন, রক্তের কোনো জাত বা ধর্ম হয় না এবং এই ধরণের উদ্যোগ সামাজিক সংহতিকে আরও মজবুত করে। অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী জানান রাজ্যে স্বাস্থ্য পরিষেবার মানোন্নয়নের ফলে বর্তমানে রাজ্য থেকে বহিঃরাজ্যে চিকিৎসার জন্য ‘রেফার’ বা রোগী পাঠানোর হার প্রায় ৮০শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।
ত্রিপুরার চিকিৎসা ব্যবস্থাকে আরও স্বাবলম্বী করতে মুখ্যমন্ত্রী বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা ও পদক্ষেপের কথা পুনর্ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেন,রাজ্যে খুব শীঘ্রই একটি নিজস্ব মেডিকেল ইউনিভার্সিটি স্থাপন, এডিসি এলাকায় একটি নতুন মেডিকেল কলেজ এবং রাজ্যে একটি ১০০ শয্যাবিশিষ্ট অত্যাধুনিক চক্ষু হাসপাতাল গড়ে তোলার কাজ চলছে।তাছাড়া স্বাস্থ্য পরিষেবার পরিধি বাড়াতে ইতিমধ্যেই ১৫৩ জন নার্সিং স্টাফ নিয়োগ করা হয়েছে এবং দ্রুত আরও ১০০ জন কর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে।
সেইসাথে মুখ্যমন্ত্রী নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে প্রতিনিয়ত নতুন চ্যালেঞ্জ আসবে, তবে ধৈর্য ও পেশাদারিত্বের সাথে কাজ করলে জনগণের আস্থা আরও বৃদ্ধি পাবে। একই সাথে তিনি করোনা মহামারীর সময়ে চিকিৎসক ও নার্সদের বীরোচিত ভূমিকার কথাও কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করেন।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *