সাংবাদিক বৈঠকে প্রাক্তন জঙ্গি নেতা পরিমল দেববর্মা জানিয়েছেন, ২০২৪ সালের ৪ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে ত্রিপাক্ষিক চুক্তির মাধ্যমে এনএলএফটি ও এটিটিএফের জঙ্গিরা অস্ত্র ছেড়ে ফিরে এসেছিল স্বাভাবিক জীবনে। কিন্তু চুক্তির দুই বছর অতিক্রান্ত হলেও এই চুক্তি এখনো বাস্তবায়িত হয় নি। বর্তমানে ত্রিপাক্ষিক চুক্তির কাগজ এখন কলাপাতার মতো।

ডেস্ক রিপোর্টার, ৮ জুন।।
        ফের আন্দোলনের ময়দানে রাজ্যের দুই নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন এনএলএফটি ও এটিটিএফ। উভয় জঙ্গি সংগঠনের আত্মসমর্পণকারী বৈরীরা রাজ্যকে স্তব্ধ করে দেওয়ার জন্য ৭২ঘন্টা অর্থাৎ তিনদিনের ত্রিপুরা বনধের ডাক দিয়েছে।১২ জুন থেকে শুরু হবে তাদের বনধ রাজনীতির আন্দোলন। আত্মসমর্পণকারী জঙ্গিদের বক্তব্য, কেন্দ্র ও রাজ্যের সঙ্গে ত্রিপাক্ষিক চুক্তি অনুযায়ী তারা এখন পর্যন্ত কোন সুযোগ সুবিধা পায়নি। ঘোষিত ২৫০ কোটি টাকার প্যাকেজের সুযোগ-সুবিধা আজও অধরা। সোমবার আগরতলায় সাংবাদিক বৈঠক করে একথা জানিয়েছেন এনএলএফটির প্রাক্তন বৈরী নেতা পরিমল দেববর্মা।
   সাংবাদিক বৈঠকে প্রাক্তন জঙ্গি নেতা পরিমল দেববর্মা জানিয়েছেন, ২০২৪ সালের ৪ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে ত্রিপাক্ষিক চুক্তির মাধ্যমে এনএলএফটি ও এটিটিএফের জঙ্গিরা অস্ত্র ছেড়ে ফিরে এসেছিল স্বাভাবিক জীবনে। কিন্তু চুক্তির দুই বছর অতিক্রান্ত হলেও এই চুক্তি এখনো বাস্তবায়িত হয় নি। বর্তমানে ত্রিপাক্ষিক চুক্তির কাগজ এখন কলাপাতার মতো।
     প্রাক্তন জঙ্গি নেতা পরিমল দেববর্মা দোষারোপ করেন দেশের গোয়েন্দা সংস্থা এসআইবিকে। কারণ তাদের মাধ্যমেই আত্মসমর্পণ করেছিল জঙ্গিরা। এসআইবি’র আধিকারিকরা নাকি এখন তাদের ফোনও ধরেন না। আত্মসমর্পণের পর এখন পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে তাদের আটজন ক্যাডারের। তারা দিন কাটাচ্ছে অর্ধ হারে অনাহারে।
                প্রাক্তন জঙ্গি নেতা পরিমল দেববর্মা সাংবাদিক বৈঠক প্রশ্ন তুলেন, ” আমরা কি মানুষ না?” নিশ্চয়ই জঙ্গিরাও মানুষ। কিন্তু দিনের পর দিন তারা যাদের রক্ত নিয়ে হোলি খেলেছিল তারাও তো ছিল মানুষই। তারপরও কিসের নেশায় এনএলএফটি ও এটিটিএফ- র জঙ্গিরা গোটা রাজ্যকে করেছিল রক্তস্নাত? এই প্রশ্নের উত্তর কি দিতে পারবেন স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসা বৈরীরা?

        


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *