মন্ত্রী টিংকু রায় জানান, “গণতন্ত্রে মতভেদ থাকতেই পারে, কিন্তু সহিংসতার কোনও স্থান নেই। রাজ্যে শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখা আমাদের অগ্রাধিকার। তিনি বলেন, পাহাড়ে সন্ত্রাসের লাগাম টানার জন্য মথার সুপ্রিমো প্রদ্যুৎ কিশোরকে অনুরোধ করেছেন।”
তেলিয়ামুড়া ডেস্ক, ১৯ এপ্রিল।।
নির্বাচন-পরবর্তী অশান্তির আবহে ফের উত্তপ্ত তেলিয়ামুড়া। ১১ মহারানী–তেলিয়ামুড়া বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপির শক্তিকেন্দ্র এবং সংখ্যালঘু মোর্চার খোয়াই জেলা সভাপতি রশিদ মিয়ার বাড়িতে হামলার অভিযোগ উঠল তিপ্রা মথা সমর্থিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। পরিস্থিতির চাপে একাধিক বিজেপি কর্মী-সমর্থক বাড়িঘর ছেড়ে আশ্রয় নিয়েছেন তেলিয়ামুড়া থানার অন্তর্গত জারুইলং গেস্ট হাউসে।

বিজেপি কর্মী-সমর্থক বাড়িঘর ছেড়ে আশ্রয় নিয়েছেন তেলিয়ামুড়া থানার অন্তর্গত জারুইলং গেস্ট হাউসে।
রবিবার ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে যান রাজ্যের মন্ত্রী টিংকু রায় ও মন্ত্রী বিকাশ দেববর্মা। সঙ্গে ছিলেন বিজেপি প্রদেশ কমিটির সাধারণ সম্পাদক বিপিন দেববর্মা এবং ২৯ কৃষ্ণপুর মণ্ডলের সভাপতি ধনঞ্জয় দাস। প্রথমে তাঁরা চাকমাঘাটের তুইমধু এলাকায় রশিদ মিয়ার বাড়িতে গিয়ে ক্ষয়ক্ষতির খোঁজ নেন। অভিযোগ, দুষ্কৃতীরা বাড়িতে ভাঙচুর চালানোর পাশাপাশি আতঙ্ক ছড়ায় এলাকাজুড়ে।এরপর প্রতিনিধি দলটি তুইমধু এলাকায় বিজেপির একটি শক্তিকেন্দ্র কার্যালয়ে হামলার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করেন তাঁরা।

পরবর্তী পর্যায়ে জারুইলং গেস্ট হাউসে আশ্রয় নেওয়া কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে দেখা করে তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন মন্ত্রীরা।মন্ত্রী টিংকু রায় জানান, “গণতন্ত্রে মতভেদ থাকতেই পারে, কিন্তু সহিংসতার কোনও স্থান নেই। রাজ্যে শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখা আমাদের অগ্রাধিকার। তিনি বলেন, পাহাড়ে সন্ত্রাসের লাগাম টানার জন্য মথার সুপ্রিমো প্রদ্যুৎ কিশোরকে অনুরোধ করেছেন।”
একই সঙ্গে তিনি প্রশাসনের তরফে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন।

ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে। যদিও প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা চলছে বলে দাবি করা হয়েছে।

