শেষ পর্যন্ত অবস্থা বেগতিক দেখে প্রসূন বোনকে সঙ্গে নিয়ে দৌঁড়ে যান এনসিসি থানায়। এবং পুলিশ বাবুদের খুলে বলে ঘটনা। তখন হাই-সিকিউরিটি জোনের দায়িত্বে থাকা খাকি উর্দি ওয়ালার হন্তে দন্তে আসেন ঘটনাস্থলে। এবং গ্রেফতার করে দুই দুষ্কৃতিকে।
ডেস্ক রিপোর্টার,৭ মে।।
শহরের পুলিশি নিরাপত্তা ব্যবস্থা কি একে বারেই তলানিতে? অবশ্যই অন্তত সিন অফ ক্রাইম তাই বলছে। যদি থানার ওসি সাহেব হন তোলাবাজ প্রাজিৎ মালাকার?তবেই থানা এলাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা তলানিতে উঠবেই। ঠিক, তাই ঘটেছে শহরের এনসিসি থানার নাকের ডগায়। বলা ভালো শহরের হাই সিকিউরিটি জোনে। তাও আবার সকাল সকালে। তখন ঘড়ির কাটা সকাল দশটা থেকে সাড়ে দশটা।

বৃহস্পতিবার সকালে ঊষাবাজার এলাকার বাসিন্দা প্রসূন বিশ্বাস তার কলেজ পড়ুয়া বোনকে বাইকে করে নিয়ে আসেন এনসিসি থানার সামনে থাকা মূল সড়কে। এবং বোন এখানে বাইক থেকে নামেন। ঠিক এই মুহুতেই একটি বোলেরো ট্রাক প্রসূন বিশ্বাসের বোনকে ধাক্কা দেয়। বোন রাস্তায় পড়ে যান। এই ঘটনা দেখে সঙ্গে সঙ্গেই দাদা প্রসূন প্রতিবাদ করেন। অবাক করার মতো ঘটনা বোলেরো গাড়ি থেকে কয়েকজন নেমে এসে বোনের সামনেই দাদা প্রসূনকে মারধর শুরু করে। দুষ্কৃতীরা আরো কয়েকজনকে ফোন করে নিয়ে আসে ঘটনাস্থলে। এবং দ্বিতীয় দফায়ও মারধর করে। ভি আই পি সড়কে এই ঘটনা চললেও আশপাশে ছিলো না পুলিশ।

উপস্থিত লোকজন দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে উপভোগ করছিল প্রসূনের উপর দুষ্কৃতীদের হামলার দৃশ্য। শেষ পর্যন্ত অবস্থা বেগতিক দেখে প্রসূন বোনকে সঙ্গে নিয়ে দৌঁড়ে যান এনসিসি থানায়। এবং পুলিশ বাবুদের খুলে বলে ঘটনা। তখন হাই-সিকিউরিটি জোনের দায়িত্বে থাকা খাকি উর্দি ওয়ালার হন্তে দন্তে আসেন ঘটনাস্থলে। এবং গ্রেফতার করে দুই দুষ্কৃতিকে।
অবাক করার মতো ঘটনা, ভিআইপি রোডে প্রকাশ্যে দিবালোকে দুষ্কৃতীরা একজনকে মারধর করলেও প্রাজিৎ মালাকারের নেতৃত্বাধীন এনসিসি থানার পুলিশ কিছুই ঠাহর করতে পারে নি। পরিস্থিতি এমন জায়গাতে গিয়ে পৌঁছেছে প্রাজিৎ মালাকারের এনসিসি থানার সামনে দিন দুপুরে খুন হলেও পুলিশ বাবুরা কিছুই করতে পারবেন না। কারণ প্রাজিৎ সহ এনসিসি থানার আরও কয়েকজন অফিসার দিনভর ব্যস্ত থাকেন শুধুই তোলা আদায়ে। স্বাভাবিক ভাবেই তারা সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা দেবে কিভাবে?

