“কলকাতা পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী,
২০১৩ সালে শুভেন্দু অধিকারীর প্রথম আপ্ত সহায়ক প্রদীপ ঝা’র রহস্য জনক মৃত্যু হয়।কলকাতার রাজপথে প্রদীপ ঝা’র ক্ষত বিক্ষত মৃত দেহ পাওয়া যায়।প্রদীপ ঝা’র হত্যা মামলার রহস্য আজও জানতে পারে নি বাংলার মানুষ। তাকে কে বা কারা খুন করেছিলো? তাও পর্দার আড়ালে।”
ডেস্ক রিপোর্টার, ৮ মে।।
চন্দ্রনাথ রথই প্রথম নয়, এর আগে বাংলার জনপ্রিয় বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ বৃত্তে থাকা আরও তিন জনের বিভিন্ন সময়ে রহস্য জনক মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু রহস্য জনক কারনে কোনো মামলার কিনারা হয় নি আজ পর্যন্ত। শুভেন্দু অধিকারীর পরিবারের বক্তব্য, শুভেন্দুর সঙ্গে ষড়যন্ত্র করেই একে একে নিকেশ করা হয়েছে তাঁর ঘনিষ্ঠ লোকজনকে। এতো দিন বাংলার ক্ষমতায় ছিলো তৃণমূল কংগ্রেস। তাই এই সমস্ত মামলার ফাইল চাপা দিয়ে রাখা হয়েছিল। এখন অবশ্যই পরিস্থিতি বদলে গেছে। বাংলার ক্ষমতার মসনদে বিজেপি। শনিবার বাংলার নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান। সম্ভাব্য মুখ্যমন্ত্রীর তালিকায় নাম রয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর। তাই আশা করা হচ্ছে, এবার চন্দ্রনাথ রথের হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচন করবে কলকাতার পুলিশ।

কলকাতা পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী,
২০১৩ সালে শুভেন্দু অধিকারীর প্রথম আপ্ত সহায়ক
প্রদীপ ঝা’র রহস্য জনক মৃত্যু হয়।কলকাতার রাজপথে প্রদীপ ঝা’র ক্ষত বিক্ষত মৃত দেহ পাওয়া যায়।প্রদীপ ঝা’র হত্যা মামলার রহস্য আজও জানতে পারে নি বাংলার মানুষ। তাকে কে বা কারা খুন করেছিলো? তাও পর্দার আড়ালে। তখন অবশ্যই তৃণমূল কংগ্রেসের প্রথম সারির নেতা ছিলেন শুভেন্দু।

দ্বিতীয় ঘটনা ২০১৮ সালে। শুভেন্দু অধিকারীর দেহরক্ষী শুভব্রত চক্রবর্তীকে একটি পুলিশ ব্যারাকের ভেতরে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়। প্রথমে শুভব্রত চক্রবর্তীর মৃত্যুকে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে কলকাতার পুলিশ। পরে অবশ্যই খুনের মামলা রুজু করে। কিন্তু আজও অধরা খুনিরা। মানুষ জানতে পারে নি শুভব্রত খুনের “মোডাস অপারেন্ডি”। তৃতীয় ঘটনা ২০২১ সালে। এবার নিকেশ হয় শুভেন্দুর গাড়ির চালক পুলক লাহিড়ী। ২১- র বাংলার বিধানসভা নির্বাচনের পর পরেই পুলক লাহিড়ীকে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায় নন্দী গ্রামে। তালিকার সর্বশেষ সংযোজন ৬ মে রাতে চন্দ্রনাথ রথ।

