তেলিয়ামুড়া ডেস্ক, ৬ জুন।।
     তেলিয়ামুড়া ইতিমধ্যে বড় শহরের রূপ নিয়েছে।স্বাভাবিকভাবেই ছোটবড় গাড়ির চাপ প্রতিদিনই বাড়ছে।ফলে বৃদ্ধি পাচ্ছে ট্রাফিক জ্যাম।এই  ট্রাফিক জ্যাম সামলানোর জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে বলে প্রশাসনের দাবি।কিন্তু অভিযোগ তেলিয়ামুড়া ট্রাফিক বিভাগের ইনচার্জ হিসেবে নিবাস চন্দ্র দাস দায়িত্বভার গ্রহণ করার পর থেকেই শহরের ট্রাফিক ব্যবস্থার মান ক্রমশ নিম্নমুখী হয়েছে। শহরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলিতে প্রতিদিনই অবৈধ পার্কিং, যানজট এবং ট্রাফিক বিশৃঙ্খলা এখন নিত্যদিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
       সবচেয়ে উদ্বেগজনক পরিস্থিতি দেখা যায় সপ্তাহের দুই হাটবার—সোমবার ও শুক্রবার।
ওই দিনগুলিতে তেলিয়ামুড়া ফল বাজার থেকে অম্পি চৌমুহনী পর্যন্ত জাতীয় সড়কের দু’পাশ কার্যত অস্থায়ী টমটম ও অটোরিকশা স্ট্যান্ডে পরিণত হয়। শতশত টমটম ও অটোরিকশা রাস্তার ধারে অবৈধভাবে দাঁড় করিয়ে রাখার ফলে জাতীয় সড়কে সৃষ্টি হয় তীব্র যানজট। এর ফলে যেকোনও সময় অ্যাম্বুলেন্স, দমকল কিংবা অন্যান্য জরুরি পরিষেবার গাড়ি আটকে পড়ে বড় ধরনের বিপর্যয়ের আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।যদিও মাঝে মধ্যে একজন এসপিও বা কনস্টেবলকে মোতায়েন করে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করা হয়, কিন্তু এত বড় এলাকায় একজন কর্মীর পক্ষে যানজট নিয়ন্ত্রণ করা কার্যত অসম্ভব বলেই মনে করছেন স্থানীয়রা।
এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে, শহরের ক্রমবর্ধমান যানজট ও অব্যবস্থার দায় কে নেবে? জাতীয় সড়কে প্রতিদিনের এই বিশৃঙ্খলা কি প্রশাসনের নজরে পড়ছে না, নাকি সব দেখেও নীরব দর্শকের ভূমিকায় রয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ?এখন দেখার, সাধারণ মানুষের এই দুর্ভোগ দূর করতে উচ্চপদস্থ প্রশাসন কোনো কঠোর পদক্ষেপ নেয় কিনা।



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *