রাজ্যের গ্রামগঞ্জের বিদ্যুৎ পরিষেবা ও বিপর্যয়কালীন পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ কর্মীদের দেওলিয়াপিনার কথা।বলছেন খোদ তেলিয়ামুড়া বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপির বিধায়িকা তথা রাজ্য বিধানসভার মুখ্য সচেতন কল্যাণী রায়।
ডেস্ক রিপোর্টার, ১৩ জুলাই।।
রাজ্যের গ্রামগঞ্জে বিদ্যুৎ পরিষেবা কোন পর্যায়ে? এবং কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে বিদ্যুৎ কর্মীরা কতটা তৎপর থাকেন?
রাজ্যের গ্রামগঞ্জের বিদ্যুৎ পরিষেবা ও বিপর্যয়কালীন পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ কর্মীদের দেওলিয়াপিনার কথা।বলছেন খোদ তেলিয়ামুড়া বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপির বিধায়িকা তথা রাজ্য বিধানসভার মুখ্য সচেতন কল্যাণী রায়।
কেন তিনি একথা বলেছেন? তাও এই প্রতিবেদনে তুলে ধরবো আমরা।

তেলিয়ামুড়া হওয়াই বাড়ি গ্রামপঞ্চায়েতের বাসিন্দা নিতাই সরকার ও শঙ্কর সরকার।শনিবার রাতে তাদের বসত ঘরে ভেঙে পড়ে রাস্তার পাশে থাকা একটি বিশাল আকৃতির বটবৃক্ষ। দুই পরিবারের ঘর – দরজা ধুলোয় মিশে যায়। বরাত জুড়ে বেচে যান পরিবারের লোকজন। কিন্তু দুই পরিবারের ছয় জন মারাত্বক আহত হয়েছেন। বর্তমানে তাদের চিকিৎসা চলছে জিবি হাসপাতালে। জানিয়েছেন এলাকার বিধায়িকা কল্যাণী রায়।
শনিবার রাতের এই দুর্ঘটনার পর প্রশাসনের সমস্ত দপ্তরের টিম ছুটে যায় ঘটনাস্থলে। এবং তারা উদ্ধার কাজে হাত লাগায়। কিন্তু দুর্ভাগ্যের হলেও সত্যি বিদ্যুতের খুঁটি ও তড়িৎ বাহিত তার নিয়ে বটবৃক্ষ হুড়মুড় করে নিতাই – শঙ্করদের বসত ঘরে আছড়ে পড়লেও ঘটনাস্থলে আসে নি তেলিয়ামুড়ার বিদ্যুৎ দপ্তরের করিৎকর্মা কর্মীরা। অভিযোগ স্থানীয় লোকজনের।

প্রত্যক্ষদর্শী যুবক জানান, অনেক ফোন করার পরও বিদ্যুৎ দপ্তরের লোকজন ঘটনাস্থলে না আসায় নিজেরাই জীবন ঝুঁকি নিয়ে ট্রান্সফরমারের গ্রিপ খুলে দেন।
উপস্থিত লোকজনের অভিযোগ, তেলিয়ামুড়া বিদ্যুৎ দপ্তরের কর্মীরা ভিডিও তৈরি করে সোশ্যাল মিডিয়া নিয়েই ব্যস্ত থাকেন। তারা জানান, ঘটনার পর ফোন করেছিলেন বিদ্যুৎ দপ্তরের ইঞ্জিনিয়ার বিশ্বজিৎ সরকারকে।মোবাইলের অপর প্রান্ত থেকে জানিয়ে দেন, তিনি আছেন ছুটিতে।

হাওয়াই বাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের ঘটনাস্থলে দাঁড়িয়ে স্থানীয় লোকজনের বক্তব্য থেকে স্পষ্ট গ্রামগঞ্জের মানুষকে বিদ্যুৎ পরিষেবা নিয়ে কতটা হ্যাপা পোহাতে হয়। ঘটনাস্থলে গিয়ে আক্রান্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর পর পরই ক্ষোভের স্ফুলিঙ্গ জ্বলে উঠলো স্থানীয় জনপ্রতিনিধি তথা ডায়নামিক বিধায়িকা কল্যাণী রায়ের মুখে।
হাওয়াই বাড়ি পঞ্চায়েতের দুর্ঘটনাগ্রস্থ দুই পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন বিধায়িকা। তাদের অন্ন, বস্ত্র ও বাসস্থানের ব্যবস্থা করে দেবেন তিনি। সরকারিভাবেও নিতাই – শঙ্করদের সাহায্য পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন বিধায়িকা কল্যাণী রায়।

