তেলিয়ামুড়া ডেস্ক, ১৩ জুলাই।।
শুধুমাত্র চাকরির পেছনে ছুটে সময় নষ্ট না করে বাগিচা ফসলেই নিজের ভবিষ্যৎ গড়েছে কৃষ্ণপুর বিধানসভা কেন্দ্রের ডিএম কলোনি এলাকার তরুণ চাষি চন্দ্রদ্বীপ রায়। মাত্র আধ কানি জমিতে নিজের শ্রম ও অদম্য ইচ্ছাশক্তিকে পুঁজি করে সে গড়ে তুলেছে এক অভিনব ড্রাগন ফলের বাগান। বর্তমানে তার বাগানে প্রায় ২৮০টি পরিপক্ব গাছ রয়েছে এবং এ বছর আশানুরূপ ফলন হওয়ায় সে বেশ আশাবাদী।
পাঁচ বছর আগে সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত উদ্যোগে ও নিজের খরচে এই চাষ শুরু করেছিল চন্দ্রদ্বীপ। বাজারে বর্তমানে প্রতি কেজি ড্রাগন ফল ২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে এবং তেলিয়ামুড়াসহ পার্শ্ববর্তী এলাকায় এর ব্যাপক চাহিদাও রয়েছে। তবে ভালো ফলন সত্ত্বেও চন্দ্রদ্বীপের আক্ষেপ—উৎপাদন ব্যয় ও পরিশ্রমের তুলনায় ন্যায্য মূল্য মিলছে না, কারণ গত বছরের চেয়ে এবার বাজারদর অনেকটাই কম।

সবচেয়ে হতাশাজনক বিষয় হলো, দীর্ঘ পাঁচ বছর সফলভাবে চাষ করলেও কৃষি দপ্তর বা কোনো সংস্থা থেকে আর্থিক অনুদান, ভর্তুকি বা প্রযুক্তিগত সহায়তা পায়নি এই তরুণ উদ্যোক্তা।তবে সে জানিয়েছে কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা ইতিমধ্যে তার ফল বাগান পরিদর্শন করেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, চন্দ্রদ্বীপ এলাকার যুবকদের জন্য এক বড় অনুপ্রেরণা। সরকার ও কৃষি দপ্তর যদি এই নতুন উদ্যোগী চাষিদের পাশে দাঁড়ায় এবং উপযুক্ত বাজার ব্যবস্থা নিশ্চিত করে, তবে বহু বেকার যুবক ড্রাগন চাষ সহ বিভিন্ন চাষাবাদের মাধ্যমে স্বনির্ভরতার পথ খুঁজে পাবে।

