“বাধারঘাটে বিভিন্ন নির্মাণ কাজের সঙ্গে জড়িত ঠিকাদার ও নির্মাণ সংস্থা থেকে নিয়মিত কমিশন আদায় করছে মণ্ডল সভাপতি মনীষ দেব ও মণ্ডল সদস্য ইন্দ্র নম:। অভিযোগ, এই কমিশনের একটা অংশ শাড়ির আঁচল ছড়িয়ে তার মধ্যে নিয়ে নেন বিধায়িকা মিনা সরকার! তাই মনীষ – ইন্দ্র’ র কমিশন বাণিজ্য নিয়ে নীরব দর্শক তিনি।”
ডেস্ক রিপোর্টার,২০ অক্টোবর।।
বাধারঘাট বিধানসভার প্রথম ক্ষমতাশালী বিধায়িকা মিনা রানি সরকার। দ্বিতীয় শক্তিশালী ব্যক্তি মণ্ডল সভাপতি মনীষ দেব। তৃতীয় শক্তিমান ব্যক্তি মণ্ডল সদস্য ইন্দ্র নম:।রাজনীতির এই হিসাব পরিষ্কার বাধারঘাট বিধানসভার লোকজনের কাছে। তারা তিন জন কিভাবে ঠকাচ্ছে গোটা বাধারঘাটের যুব সমাজকে? তার পরিসংখ্যান এই প্রতিবেদনে তুলে ধরছি আমরা ” জনতার মশাল”।
বাধারঘাটে বিভিন্ন নির্মাণ কাজের সঙ্গে জড়িত ঠিকাদার ও নির্মাণ সংস্থা থেকে নিয়মিত কমিশন আদায় করছে মণ্ডল সভাপতি মনীষ দেব ও মণ্ডল সদস্য ইন্দ্র নম:। অভিযোগ, এই কমিশনের একটা অংশ শাড়ির আঁচল ছড়িয়ে তার মধ্যে নিয়ে নেন বিধায়িকা মিনা সরকার! তাই মনীষ – ইন্দ্র’ র কমিশন বাণিজ্য নিয়ে নীরব দর্শক তিনি।

# সিপার্ড থেকে ONGC – প্রথম গেট রাস্তা নির্মাণ:
তথ্য অনুযায়ী, ক্যাম্পের বাজার সিপার্ডের সামনে থেকে ONGC – প্রথম গেট পর্যন্ত একটি রাস্তা নির্মাণের কাজ বের হয়। এই নির্মাণ কাজের মোট অর্থ ৫ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা। ঠিকাদার বিশালগড়ের বাসিন্দা। অভিযোগ, এই ঠিকাদারের কাছ থেকে কমিশন বাবদ ৬০ লক্ষ টাকা নিয়েছে মনীষ – ইন্দ্র জুটি।

# বাধারঘাট রাম ঠাকুর কলেজ:
রাম ঠাকুর কলেজে চলছে নির্মাণ কাজ। পূর্ত দপ্তর ও আরডি- টাকায় নির্মাণ কাজের বরাত প্রাপ্ত ঠিকাদারদের থেকে ২০ লক্ষ টাকা কমিশন নিয়েছে মনীষ – ইন্দ্র। গোটা বাধারঘাটে কান পাতলেই শোনা যায় এই গুঞ্জন। কমিশন বাণিজ্য নিয়ে প্রকাশ্যে বলছে বিজেপির কর্মীরা।

# একতা মল, হাঁপানিয়া :
হাঁপানিয়া জুটমিল সংলগ্ন এলাকায় মাথা তুলে দাঁড়াচ্ছে কেন্দ্রীয় প্রজেক্ট “একতা মল” । এই নির্মাণের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছিল ২৯ কোটি টাকা। ঠিকাদার শহরের টাউন প্রতাপগড়ের বাসিন্দা স্বপন দেব। অভিযোগ, এখান থেকেও অর্ধ কোটি টাকা কমিশন নিয়েছে মনীষ – ইন্দ্র জুটি।

# সিপার্ডে ১০তলা বিল্ডিং নির্মাণ:
ক্যাম্পের বাজার সিপার্ড-এ ১০০ কোটি টাকার ১০তলা বিল্ডিং নির্মাণের কাজ বেরিয়েছে। এই কাজের বরাত পেয়েছে বহিঃ রাজ্যের একটি নির্মাণ সংস্থা। ইতিমধ্যে এই নির্মাণ সংস্থার লোকজনের সঙ্গে ” কমিশনের পারসেন্টিস” নিয়ে চলছে আলোচনা। পূজার পরেই আলোচনার চূড়ান্ত রূপ পাবে।

এই প্রতিবেদনে আমরা শুধু কয়েকটি তথ্য তুলে ধরেছি। আরও বিভিন্ন ক্ষেত্র থেকেই চলছে কমিশন আদায়। কিন্তু এই কমিশনের অংশ কি পাচ্ছে বাধারঘাটের বিজেপির কর্মীরা? না। সবটাই গিলে খাচ্ছে মনীষ – ইন্দ্র।

বিজেপির কোর টিমের লোকজনের কথা বলে কমিশিন আদায় করলেও, তারা থাকছে ব্রাত্য। মূল ক্রিম চেটে পুটে খাচ্ছে মনীষ – ইন্দ্র জুটি। অভিযোগ , একটা অংশ নিয়মিত ভাবে পৌঁছে যাচ্ছে বিধায়িকা মিনা সরকারের কাছেও।

অর্থাৎ ঘুরিয়ে বললে মিনা – মনীষ – ইন্দ্র যৌথ ভাবে বাধারঘাটের বিজেপির ইয়ং ব্রিগেডের সঙ্গে শুরু করেছেন “ঠকাই”-য়ের রাজনীতি। বলছে বিজেপির নিষ্ঠাবান কর্মীরা।

