ঘটনার পর বোধিসত্ত্ব’কে খুনের অভিযোগে মূলে সুমিত বণিক, সুমিত চৌধুরী, সুকান্ত বিশ্বাস ও ওমর শরীফকে গ্রেফতার করেছিলো পুলিশ। সুমিত চৌধুরী হলো শহরের স্বর্ণ ব্যবসায়ী কালিকা জুয়েলারির মালিকের ছেলে। সুমিত বণিক জুয়েলারির মালিকের ভাগ্নে। ২০২৩ সালে নিম্ন আদালত এই চার অভিযুক্তকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছিলো।
ডেস্ক রিপোর্টার, ২৬ মে।।
ব্যাঙ্ক ম্যানেজার বোধিসত্ত্ব দাস হত্যা মামলায় বেকসুর খালাস দুই অভিযুক্ত সুমিত বণিক ও সুমিত চৌধুরী। ত্রিপুরা উচ্চ আদালত মঙ্গলবার এই রায় ঘোষণা করে। প্রসঙ্গত , অভিযোগ, ২০১৯ সালের ৩ আগস্ট রাতে শহরের জ্যাকশন গেটে সুমিত বণিক, সুমিত চৌধুরী, সুকান্ত বিশ্বাস ও ওমর শরীফ ব্যাঙ্ক ম্যানেজার বোধিসত্ত্বকে বিয়ারের বোতল ভেঙে হামলা করেছিলো। এরপর উন্নত চিকিৎসার জন্য বোধিসত্ত্বকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিলো কলকাতায়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় বোধিসত্ত্ব’র মৃত্যু হয়। ঘটনার পর বোধিসত্ত্ব’কে খুনের অভিযোগে মূলে সুমিত বণিক, সুমিত চৌধুরী, সুকান্ত বিশ্বাস ও ওমর শরীফকে গ্রেফতার করেছিলো পুলিশ। সুমিত চৌধুরী হলো শহরের স্বর্ণ ব্যবসায়ী কালিকা জুয়েলারির মালিকের ছেলে। সুমিত বণিক জুয়েলারির মালিকের ভাগ্নে।

২০২৩ সালে নিম্ন আদালত এই চার অভিযুক্তকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়।পরে আপিলে হাইকোর্ট দুই অভিযুক্ত সুমিত বণিক ও সুমিত চৌধুরীকে বেকসুর খালাস দেয়। বাদবাকি দুই অভিযুক্ত সুকান্ত বিশ্বাস ( পুলিশ ইন্সপেক্টর) ও ওমর শরীফের ( দাগি সমাজদ্রোহী) কি হবে? তারাও কি বেকসুর খালাস পাবে? তাকিয়ে আছে রাজ্যের মানুষ।
আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সাধারণত দেখা যায়, নিম্ন আদালতের রায় বহাল রাখে উচ্চ আদালত। কিন্তু বোধিসত্ত্ব মামলায় দেখা গেলো ভিন্ন রায়। অবশ্যই উচ্চ আদালত তথ্য – প্রমাণের ভিত্তিতেই মামলার রায় দিয়েছে। ঠিক একই রায় পরিলক্ষিত হয়েছিল শহরের গণদূত পত্রিকার ত্রয়ী খুনের মামলায়। এই মামলার মূল অভিযুক্ত সুশীল চৌধুরীকে নিম্ন আদালত যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছিল। কিন্তু উচ্চ আদালতের তৎকালীন প্রধান বিচারপতি দীপক গুপ্তা সুশীল চৌধুরীকে বেকসুর খালাস ঘোষণা করে দিয়েছিলেন।

