এখন তারা হঠাৎ করে শপিং মল গুলিতে ঈদ উৎসবে বিজ্ঞাপন লাগানোর উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। অর্থাৎ তারা নিজেদের অতি বড় হিন্দু বলে দাবি করছেন। কিন্তু ২০২৪ সালে গণ্ডাছড়াতে ভিন ধর্মের লোকজন পরিকল্পিত ভাবে হামলা করেছিল বাঙালি হিন্দুদের উপর। তা নিয়ে মুখ খোলার সাহস পায় নি হালের বিশ্ব হিন্দু পরিষদের নেতারা।

ডেস্ক রিপোর্টার, ২৩ মে।।
        ঈদ উৎসবের প্রাক লগ্নে শহরে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ নামধারী লোকজনের আবির্ভাব। শহরের বিভিন্ন শপিং মলে হুলিয়া জারি। শপিং মলগুলিতে লেখা যাবে না ঈদ মোবারক। ছাপানো যাবে না ঈদের চাঁদ। শহরের আরএমএস চৌমুহনীস্থিত একটি শপিং মলে ঢুকে খুলে ফেলে ঈদ মোবারক লেখা পোস্টার। শুরু তাই নয়, ত্রিপুরায় ব্যবসা করতে হলে ঈদ উৎসবে শপিং মলগুলি লিখতে পারবে না ঈদ মোবারক কথা। এই দলে দেখা গেলো রাজ্য বিজেপির যুব মোর্চার প্রাক্তন সম্পাদক রঘুনাথ লোধকে।


বিশ্ব হিন্দু পরিষদের এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ বিজেপির সংখ্যালঘু মোর্চার নেতারা।

বিশ্ব হিন্দু পরিষদের এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ বিজেপির সংখ্যালঘু মোর্চার নেতারা। তাদের দাবি, বিজেপি নেতৃত্ব কখনও কর্মী – সমর্থকদের এই নির্দেশ দেয় নি। প্রশ্ন উঠছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদকে নিয়েও। এখন তারা হঠাৎ করে শপিং মল গুলিতে ঈদ উৎসবে বিজ্ঞাপন লাগানোর উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। অর্থাৎ তারা নিজেদের অতি বড় হিন্দু বলে দাবি করছেন।

খোলা হচ্ছে শপিং মলে ঈদ মোবারক লেখা ফ্ল্যাক্স।

বিশ্ব হিন্দু পরিষদের এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ বিজেপির সংখ্যালঘু মোর্চার নেতারা।

বিশ্ব হিন্দু পরিষদের এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ বিজেপির সংখ্যালঘু মোর্চার নেতারা। তাদের দাবি, বিজেপি নেতৃত্ব কখনও কর্মী – সমর্থকদের এই নির্দেশ দেয় নি। প্রশ্ন উঠছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদকে নিয়েও। এখন তারা হঠাৎ করে শপিং মল গুলিতে ঈদ উৎসবে বিজ্ঞাপন লাগানোর উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। অর্থাৎ তারা নিজেদের অতি বড় হিন্দু বলে দাবি করছেন।


গণ্ডাছড়াতে ১৩টি গো – মাতাকে দাড়ি দিয়ে বাঁধা অবস্থায় আগুন দিয়ে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছিলো। তখন কি বিজেপি নামধারী রঘুনাথ লোধের মতো  বীরপুঙ্গব নেতারা ভয়ে লুকিয়ে ছিলো ইঁদুরের গর্তে?

কিন্তু ২০২৪ সালে গণ্ডাছড়াতে ভিন ধর্মের লোকজন পরিকল্পিত ভাবে হামলা করেছিল বাঙালি হিন্দুদের উপর। তা নিয়ে মুখ খোলার সাহস পায় নি হালের বিশ্ব হিন্দু পরিষদের নেতারা। গণ্ডাছড়াতে হিন্দু বাঙালিদের উপর সংঘটিত হামলার ঘটনায় থানায় একটিও মামলা দায়ের হয় নি। তখন কোথায় ছিলেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের সিকি – আধুলি নেতারা?  শুধু তাই নয়, গণ্ডাছড়াতে ১৩টি গো – মাতাকে দাড়ি দিয়ে বাঁধা অবস্থায় আগুন দিয়ে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছিলো। তখন কি বিজেপি নামধারী রঘুনাথ লোধের মতো  বীরপুঙ্গব নেতারা ভয়ে লুকিয়ে ছিলো ইঁদুরের গর্তে?প্রশ্ন উঠছে জনমনে।

গণ্ডাছড়ার হিংসাতে নিঃস্ব হিন্দু বাঙালি মায়ের কথা মনে আছে কি হিন্দুবাদী ছাপোষা নেতা রঘুনাথের?


কোথায় আছে প্রশাসন? আইনত এই কাজ অত্যন্ত দণ্ডনীয়। কিন্তু রহস্য জনক কারণে নিশ্চুপ পুলিশ। তাহলে কি পুলিশ প্রশাসন ঘুর পথে অশান্তি সৃষ্টির পথ সুগম করার চেষ্টা করছে?  প্রদেশ বিজেপি নেতৃত্ব স্পষ্ট ভাবেই জানিয়ে দিয়েছে, দলের পক্ষ থেকে এরকম কোনো নির্দেশ নেই। কেউ যদি স্ব-উদ্যোগে এধরনের কাজ করে থাকে তার দায় ভার নেবে না দল। প্রদেশ বিজেপি নেতৃত্বের প্রশ্ন ” রঘুনাথ লোধ কে? তারা নাকি তাকে চেনেনই না।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *