বিনায়কা ইনস্টিটিউট অব হেলথ সায়েন্সেস-এ রয়েছে স্বাস্থ্য শিক্ষার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কোর্স।
রয়েছে বি.এসসি নার্সিং, জেনারেল নার্সিং অ্যান্ড মিডওয়াইফারি বা GNM, ব্যাচেলর অব মেডিক্যাল ল্যাবরেটরি সায়েন্স বা BMLS এবং ব্যাচেলর অব মেডিক্যাল রেডিওলজি অ্যান্ড ইমেজিং টেকনোলজি বা BMRIT।

আগরতলা, ৪ আগস্ট।।
     ত্রিপুরার স্বাস্থ্য শিক্ষা ক্ষেত্রে যুক্ত হয়েছে এক নতুন মাইলফলক। আধুনিক পরিকাঠামো, কর্মমুখী শিক্ষা এবং দক্ষ স্বাস্থ্যকর্মী তৈরির লক্ষ্য নিয়ে আগরতলার নূতন নগর, এয়ারপোর্ট রোড এলাকায় পথচলা শুরু করেছে বিনায়কা ইনস্টিটিউট অব হেলথ সায়েন্সেস।
স্বাস্থ্য খাতে সময়ের সঙ্গে বাড়ছে প্রশিক্ষিত ও দক্ষ মানবসম্পদের চাহিদা। আর সেই চাহিদাকে সামনে রেখেই আধুনিক স্বাস্থ্য শিক্ষার সুযোগ রাজ্যের ছাত্রছাত্রীদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়েছে এই প্রতিষ্ঠান।
ত্রিপুরা বিশ্ববিদ্যালয়—একটি কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত এই প্রতিষ্ঠান রাজ্যের স্বাস্থ্য শিক্ষার পরিসরকে আরও বিস্তৃত করেছে।
এতদিন নার্সিং ও অ্যালাইড হেলথ সায়েন্সেসের বিভিন্ন কোর্সে পড়াশোনার জন্য রাজ্যের বহু শিক্ষার্থীকে ত্রিপুরার বাইরে যেতে হতো। এবার রাজ্যের মধ্যেই সেই ধরনের আধুনিক ও কর্মমুখী স্বাস্থ্য শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ আরও প্রসারিত হয়েছে।
বিনায়কা ইনস্টিটিউট অব হেলথ সায়েন্সেস-এ রয়েছে স্বাস্থ্য শিক্ষার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কোর্স।
রয়েছে বি.এসসি নার্সিং, জেনারেল নার্সিং অ্যান্ড মিডওয়াইফারি বা GNM, ব্যাচেলর অব মেডিক্যাল ল্যাবরেটরি সায়েন্স বা BMLS এবং ব্যাচেলর অব মেডিক্যাল রেডিওলজি অ্যান্ড ইমেজিং টেকনোলজি বা BMRIT।
এই কোর্সগুলির মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নার্সিং, মেডিক্যাল ল্যাবরেটরি পরিষেবা, রেডিওলজি এবং মেডিক্যাল ইমেজিং প্রযুক্তির মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও ব্যবহারিক দক্ষতা অর্জনের সুযোগ পাচ্ছেন।
শুধু পাঠ্যক্রম নয়—আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে প্রতিষ্ঠানের পরিকাঠামোতেও।শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে সম্পূর্ণ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত স্মার্ট ক্লাসরুম, অত্যাধুনিক ল্যাবরেটরি, আধুনিক কম্পিউটার ল্যাব এবং সমৃদ্ধ লাইব্রেরি।
পাশাপাশি রয়েছে বিনামূল্যে ওয়াই-ফাই পরিষেবা, ২৪ ঘণ্টা সিসিটিভি নজরদারি, ইনডোর গেমস জোন এবং স্বাস্থ্যসম্মত ক্যাফেটেরিয়ার ব্যবস্থা।
পড়াশোনার পাশাপাশি শিক্ষার্থীরা যাতে নিরাপদ, স্বাচ্ছন্দ্যময় এবং আধুনিক পরিবেশ পান, সেদিকেও বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে।
     শুধু আগরতলা নয়, রাজ্যের বিভিন্ন জেলা এবং রাজ্যের বাইরে থেকে আসা শিক্ষার্থীদের সুবিধার কথাও মাথায় রেখেছে প্রতিষ্ঠানটি।
ছেলে ও মেয়েদের জন্য রয়েছে পৃথক হোস্টেলের ব্যবস্থা। নিরাপদ ও মনোরম পরিবেশে থেকে যাতে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনায় মনোনিবেশ করতে পারেন, সেই লক্ষ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আবাসন ব্যবস্থা।
       বর্তমান সময়ে স্বাস্থ্য পরিষেবার সঙ্গে দক্ষ মানবসম্পদের সম্পর্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চিকিৎসক ও হাসপাতালের পাশাপাশি নার্সিং, মেডিক্যাল ল্যাবরেটরি, রেডিওলজি এবং মেডিক্যাল ইমেজিং ক্ষেত্রেও প্রশিক্ষিত কর্মীর চাহিদা রয়েছে।
সেই প্রেক্ষাপটে রাজ্যের তরুণ-তরুণীদের কর্মমুখী স্বাস্থ্য শিক্ষার সুযোগ প্রদান এবং দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে বিনায়কা ইনস্টিটিউট অব হেলথ সায়েন্সেস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য, শিক্ষার সুযোগ এবং আগামী দিনের পরিকল্পনা সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরেন বিনায়কা ইনস্টিটিউট অব হেলথ সায়েন্সেস-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর।
   রাজ্যের মধ্যেই আধুনিক স্বাস্থ্য শিক্ষার সুযোগ বৃদ্ধি—ত্রিপুরার শিক্ষার্থীদের কাছে নিঃসন্দেহে একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন।
আধুনিক শিক্ষা, উন্নত পরিকাঠামো এবং কর্মমুখী প্রশিক্ষণ—এই তিনকে সঙ্গে নিয়ে ইতিমধ্যেই পথচলা শুরু করেছে বিনায়কা ইনস্টিটিউট অব হেলথ সায়েন্সেস।
এই উদ্যোগ একদিকে যেমন রাজ্যের শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য শিক্ষার নতুন সুযোগ দিচ্ছে, অন্যদিকে তেমনি আগামী দিনে দক্ষ স্বাস্থ্যকর্মী তৈরির ক্ষেত্রকেও আরও প্রসারিত করার সম্ভাবনা তৈরি করছে।
স্বাস্থ্য শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের নতুন সম্ভাবনাকে সামনে রেখে এগিয়ে চলা বিনায়কা ইনস্টিটিউট অব হেলথ সায়েন্সেস আগামী দিনে ত্রিপুরার স্বাস্থ্য শিক্ষা ক্ষেত্রে কতটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে—সেদিকেই থাকবে নজর।
















Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *