স্পোর্টস ডেস্ক,৪ অক্টোবর।।
রেফারিং নিয়ে আগেও ক্ষোভ জানিয়েছিল বিভিন্ন ক্লাব। রবিবার সুপার ফোরের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে রেফারিং এর বিরুদ্ধে ক্ষোভ জানিয়ে মাঝপথে মাঠ ছাড়লো ব্লাড মাউথ ক্লাব। এদিন গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে এগিয়ে চলোর মুখোমুখি হয়েছিল ব্লাড মাউথ ক্লাব। রাজ্য ফুটবল সংস্থা আয়োজিত শ্যামসুন্দর কোন জুয়েলার্স চন্দ্র মেমোরিয়াল লিগ ফুটবলে। খেলা তখন প্রায় ৭৮ মিনিট শেষ। প্রত্যাশিত ভাবে এগিয়ে চলো সংঘ এগিয়েছিল ১-০ গোলে। আচমকা রেফারি বিশ্বজিৎ দাসের এক সিদ্ধান্তে প্রতিবাদ জানিয়ে মাঠ ছাড়ে ব্লাড মাউথ ক্লাব। ওই ক্লাবের ফুটবলারদের দাবি নিম্নমানের রেফারিং করেছেন বিশ্বজিৎ দাস। দ্বিতীয়ার্ধে ৩৩ মিনিট খেলার পর বন্ধ হয়ে যায় খেলা। এরপর চলে খন্ড যুদ্ধ। বাধ্য হয়ে নিরাপত্তা রক্ষীরা ঢোকেন মাঠে। রাজ্য ফুটবল সংস্থার কর্তারা আপ্রাণ চেষ্টা করলেও খেলা শুরু করতে পারেননি। নাছোড় বাধা ব্লাড মাউথ ক্লাবের ফুটবলাররা খেলতে রাজি ছিলেন না। শেষ পর্যন্ত মাঠ ছাড়েন রেফারিরা। প্রত্যাশিতভাবেই জয় পেয়ে খেতাবের দৌড়ে আরেক কদম এগিয়ে গেল ময়দানের ঐতিহ্যবাহী ক্লাব এগিয়ে চলো সংঘ। ম্যাচ শুরু ১০ মিনিটের মাথায় শুধুখাম্বাই মেতেই এর গোলে এগিয়ে গিয়েছিল মেলার মাঠের ওই ক্লাবটি। তারপর বেশ কয়েকটি সুযোগ তৈরি করলেও ব্লাডমাউথের গোলকিপারকে বোকা বানাতে পারেননি। দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচে ফেরার আপ্রাণ চেষ্টা করেন ব্লাড মাউথ ক্লাবের ফুটবলাররা। কিন্তু এগিয়ে চলো সংঘের রক্ষণভাগে চিড় ধরাতে ব্যর্থ হয়েছে। ৩৩ মিনিটে সময় পেনাল্টির দাবি করেন ব্লাড মাউথ ক্লাবের ফুটবলাররা। রেফারি বিশ্বজিৎ দাস তাদের দাবিকে নাকচ করলে শুরু হয় রণক্ষেত্র। পারভেজ এর সঙ্গে দলের গোলকিপার বুদ্ধ দেববর্মা রেফারির উপর আক্রমণ করে বলে অভিযোগ। তাতে অল্প বিস্তর আহত হয়েছেন রেফারি সহ সহকারি রেফারি পল্লব চক্রবর্তী এবং বিপ্লব সিনহা। পরে পুলিশ পহরায় রেফারিদের মাঠ ছাড়ার উদ্যোগ নিলে তখন আবার আক্রমণ করেন পারভেজ। যতটুকু খবর পারভেজ এর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে চলেছে রাজ্য ফুটবল সংস্থা। আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই বৈঠক ডাকবেন রাজ্য সংস্থার কর্তারা।

