তেলিয়ামুড়া ডেস্ক, ৬ অক্টোবর।।
মঙ্গলবার রাতে নাগাদ ফের প্রমাণ হলো, এই শহর কতটা অসুরক্ষিত। কৃষ্ণপুরের জঙ্গল থেকে খাদ্যের খোঁজে লুকোমুখে মতি নামে পরিচিত কুখ্যাত বন্য দাঁতাল হাতিটি সোজা ঢুকে পড়লো জনবহুল তেলিয়ামুড়া শহরে। প্রথমে ডি.এম কলোনি এলাকা, তারপর নেতাজীনগর বিদ্যালয়ের মাঠ সংলগ্ন এলাকায় তার আচমকা আগমনে গোটা শহর জুড়ে হুলুস্থুল, চিৎকার, আতঙ্ক!
প্রশ্ন একটাই – বনদপ্তর কী করছে? জঙ্গলে হাতির খাবার নেই কেন? দিনের পর দিন জঙ্গল সাফ, খাদ্য সংকট, আর তার ফল ভুগতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। আজ হাতি শহরে ঢুকেছে, কাল বাড়িঘর ভাঙ্গবে, তার দায় কে নেবে?
খবর পেয়ে তেলিয়ামুড়া বনদপ্তরের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও তাদের হাতে সেই আদ্যিকালের অস্ত্র – বাজি ফাটানো আর শুকনো লঙ্কা পোড়ানো! আধুনিক যুগেও বন্য প্রাণী তাড়ানোর কোনো বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি নেই তাদের কাছে। শেষমেশ কোনোরকমে হাতিটি’কে নদীপথ দিয়ে কৃষ্ণপুরের কুঞ্জমুড়া জঙ্গলের দিকে ঠেলে দেওয়া হয়।

এলাকাবাসীর ক্ষোভ, “আজ তো বরাত জোরে বেঁচে গেলাম, কিন্তু রোজ রোজ এই আতঙ্ক নিয়ে কীভাবে বাঁচব?” বনদপ্তর যদি এখনও না জাগে, তবে তেলিয়ামুড়া শহর যে একদিন হাতির করিডোরে পরিণত হবে, তা বলাই বাহুল্য। যদিও এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন, তেলিয়ামুড়া মহকুমার কৃষ্ণপুর বিধানসভা কেন্দ্রের বেশ কিছু এলাকা জুড়ে পূর্বে বন্য দাঁতাল হাতির আক্রমণ বহু মানুষের প্রাণ হানির মতন ঘটনা ও ঘটেছিল।।

