বিদ্যুৎ গ্রাহকদের অভিযোগ, প্রিপেইড রিচার্জে অস্বাভাবিক হারে ইউনিট কমে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। যেখানে আগে ৫০০ টাকার রিচার্জে ৭০ থেকে ৮০ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ পাওয়া যেত, সেখানে বর্তমানে একই পরিমাণ অর্থ ব্যয় করেও মাত্র ১০ থেকে ১৫ ইউনিট পাওয়া যাচ্ছে।
ডেস্ক রিপোর্টার, ১ জুন।।
তেলিয়ামুড়া বিদ্যুৎ নিগমের পরিষেবা নিয়ে সোমবার ক্ষোভে ফেটে পড়লেন শতাধিক বিদ্যুৎ গ্রাহক। বিদ্যুৎ বিল জমা দেওয়ার জন্য সকাল থেকেই অফিস চত্বরে দীর্ঘ লাইন পড়লেও পরিষেবার মান ও প্রশাসনিক অব্যবস্থাপনায় চরম দুর্ভোগের শিকার হতে হয় সাধাসম্প্রতি বিদ্যুতেররণ মানুষকে।
বিদ্যুৎ গ্রাহকদের অভিযোগ, প্রিপেইড রিচার্জে অস্বাভাবিক হারে ইউনিট কমে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। যেখানে আগে ৫০০ টাকার রিচার্জে ৭০ থেকে ৮০ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ পাওয়া যেত, সেখানে বর্তমানে একই পরিমাণ অর্থ ব্যয় করেও মাত্র ১০ থেকে ১৫ ইউনিট পাওয়া যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেন বহু গ্রাহক। ফলে ক্রমবর্ধমান মূল্যবৃদ্ধির বাজারে বিদ্যুতের অতিরিক্ত ব্যয় সাধারণ মানুষের সংসারে নতুন করে চাপ সৃষ্টি করেছে।

ক্ষুব্ধ গ্রাহকদের আরও অভিযোগ, এই অস্বাভাবিক ইউনিট হ্রাসের কারণ জানতে চাইলে বিল কাউন্টারে কর্তব্যরত কর্মী হরিদাস সাহা কোন স্পষ্ট জবাব দিতে পারেননি। বরং তিনি সরাসরি এই বিষয়টির জন্য তেলিয়ামুড়া বিদ্যুৎ নিগমের সিনিয়র ম্যানেজার উৎপল কর-এর গাফিলতিকে দায়ী করেন এবং বিষয়টি নিয়ে তাঁর সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দেন। কিন্তু অভিযোগ, অফিসে উপস্থিত বহু গ্রাহক সংশ্লিষ্ট কোনো ঊর্ধ্বতন আধিকারিকের দেখাই পাননি। গ্রাহকদের জানানো হয়, সকল আধিকারিক নাকি অফিসিয়াল বৈঠকে ব্যস্ত ছিলেন।
এই অবস্থায় বর্তমানে বিদ্যুৎ গ্রাহকদের দাবি—অবিলম্বে ইউনিট কমে যাওয়ার প্রকৃত কারণ জনসমক্ষে প্রকাশ করতে হবে।দ্বিতীয়ত,পর্যাপ্ত বিল কাউন্টার চালু করতে হবে।তাছাড়া সাধারণ মানুষ তথা বিদ্যুৎ গ্রাহকদের সঙ্গে উদাসীন ও অপেশাদার আচরণ বন্ধ করতে হবে। আর তা না হলে আগামী দিন বিদ্যুৎ গ্রাহকরা গণতান্ত্রিক আন্দোলন গড়ে তুলবেন।

