বেনিফিশিয়ারীদের বক্তব্য, তারা ২০২১ সালে ঘরের জন্য টাকা জমা করেছিল। কথা ছিলো এক বছরের মধ্যে তারা হাতে পেয়ে যাবে ঘরের চাবি। কিন্তু না। ছয় বছর পরও লাইট হাউসে তাদের মাথা গোজার ঠাঁই নেই। তার জন্য তারা দায়ী করছে টুডা কর্তৃপক্ষকে। টুডার খামখেয়ালিপনার জন্যই নাকি আজ তাদের এই হাল।
ডেস্ক রিপোর্টার, ১জুন।।
দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর স্বপ্নের লাইট হাউস প্রজেক্ট আজও বিশবাঁও জলে। ছয় বছরেও শহরের বর্ডার গোলচক্করে সম্পূর্ণ ভাবে মাথা তুলে দাঁড়াতে পারে নি স্বপ্নের লাইট হাউস। অথচ লাইট হাউস প্রজেক্টে ফ্ল্যাট পাওয়ার জন্য বেনিফিশিয়ারীরা তাদের সমস্ত টাকাও দিয়ে দিয়েছে। তারপরও ফ্ল্যাটের আশায় তারা ঘুরছে আরবান ডেভেলপমেন্ট’ র দরজায় দরজায়।
বেনিফিশিয়ারীদের বক্তব্য, তারা ২০২১ সালে ঘরের জন্য টাকা জমা করেছিল। কথা ছিলো এক বছরের মধ্যে তারা হাতে পেয়ে যাবে ঘরের চাবি। কিন্তু না। ছয় বছর পরও লাইট হাউসে তাদের মাথা গোজার ঠাঁই নেই। তার জন্য তারা দায়ী করছে টুডা কর্তৃপক্ষকে। টুডার খামখেয়ালিপনার জন্যই নাকি আজ তাদের এই হাল।

বেনিফিশিয়ারীদের কথায়, তারা বিষয়টি নিয়ে বারবার সাক্ষাৎ করেছেন আরবান ডেভেলপমেন্টের কমিশনের সঙ্গে। তিনি দিনের পর দিন আশ্বাস দিয়ে চলছেন। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয় নি। লাইট হাউসে ফ্ল্যাট পাওয়ার জন্য বেনিফিশিয়ারীরা কেউ কেউ পাঁচ লক্ষ টাকা দিয়েছে। কেউ দিয়েছে সাত লক্ষ টাকা।
বেনিফিশিয়ারীরা অভিযোগ করে বলেন, গত ছয় বছরে লাইট হাউসে মাত্র ৩৫ শতাংশ কাজ হয়েছে। বাদবাকি কাজ শেষ করতে তাদের সময় লাগবে আরও অন্তত ১০ বছর। অর্থাৎ লাইট হাউস সম্পন্ন করতে সময় লাগবে ১৫ বছর। নির্মাণ সংস্থা কাজ করছে অত্যন্ত ধীর গতিতে।

তাদের বক্তব্য, দেশের আরো পাঁচ রাজ্য পেয়েছিল লাইট হাউস প্রজেক্ট। ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট রাজ্য লাইট হাউস প্রজেক্ট’র কাজ সম্পন্ন করে বেনিফিশিয়ারিদের হাতে তুলে দিয়েছে ফ্ল্যাটের চাবি। কিন্তু ত্রিপুরার স্বপ্নের লাইট হাউস আরও বিশবাঁও জলে। এটাই কি রাজ্যের বিজেপি সরকারের উন্নয়নের আক্ষরিক বিপ্লব? প্রশ্ন তুলছেন লাইট হাউস প্রজেক্টের বেনিফিশিয়ারিরা।

