চারটি  মধ্যে দুইটি বাঙালি  অধ্যুষিত সাধারণ ক্যাটাগরির আসন। তার মধ্যে একটি মাছমারা, অপরটি দশদা – কাঞ্চনপুর। বাদবাকি দুইটি হলো শিলাছড়ি – মনু বনকুল ও ছামনু। এইগুলি এসটি সংরক্ষিত আসন।

ডেস্ক রিপোর্টার , ১৭ এপ্রিল ।।
                এডিসি নির্বাচনে হোয়াইটওয়াশ রাজ্যের শাসক দল ভারতীয় জনতা পার্টি। বিশাল জয় নিয়ে পুনরায় মুখুলুঙ দখল করল প্রদ্যুৎ কিশোরের তিপ্রামথা। নির্বাচনে ২৮ আসনের মধ্যে ২৪টি দখল করলো তিপ্রামথা। বিজেপির ঝুলিতে মাত্র চারটি। শুক্রবার নির্বাচন কমিশনের এই ফলাফল ঘোষণার মধ্য দিয়ে স্পষ্ট পাহাড়ের শেষ কথা প্রদ্যুৎ কিশোরই। অনেক চেষ্টা করেও মাটি শক্ত করতে পারে নি বিজেপি।

২১- র নির্বাচনের তুলনায় এবার তিপ্রামথার আসন সংখ্যা আরও ৬টি বৃদ্ধি পেয়েছে।

২১- র নির্বাচনের তুলনায় এবার তিপ্রামথার আসন সংখ্যা আরও ৬টি বৃদ্ধি পেয়েছে। শেষ এডিসি নির্বাচনে মথার আসন সংখ্যা ছিলো ১৮টি। এবার তাদের দখলে ২৪টি। অন্যদিকে ২১- র তুলনায় বিজেপির আসন সংখ্যা কমেছে। শেষ বছর বিজেপির আসন সংখ্যা ছিল ১০টি। এবার আরও ৬টি আসন কমেছে। অর্থাৎ ঝুলিতে মাত্র চারটি আসন।


চারটি  মধ্যে দুইটি বাঙালি  অধ্যুষিত সাধারণ ক্যাটাগরির আসন। তার মধ্যে একটি মাছমারা, অপরটি দশদা – কাঞ্চনপুর। বাদবাকি দুইটি হলো শিলাছড়ি – মনু বনকুল ও ছামনু। এইগুলি এসটি সংরক্ষিত আসন।

       

সিপিআইএম এবারও পাহাড়ে খাতা খুলতে পারে নি। তারা দাঁড়িয়ে আছে সেই তিমিরেই

অন্যদিকে রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল সিপিআইএম এবারও পাহাড়ে খাতা খুলতে পারে নি। তারা দাঁড়িয়ে আছে সেই তিমিরেই। এক সময় রাজ্যের পাহাড় ছিলো বামেদের দুর্জয় ঘাঁটি। আর এখন পাহাড়ের মানুষ প্রতিটি নির্বাচনে বামেদের খালি হাতে ফিরিয়ে দিচ্ছে।


তথ্য অনুযায়ী, শেষ বারের এডিসি ভোটে বামেরা ১২ শতাংশ ভোট পেয়েছিল। এবার তা আরও কমেছে। রাজ্যের শাসক জোটের তৃতীয় শরিক আইপিএফটির অবস্থা আরও করুন। ২১- র এডিসি নির্বাচনে তারাও খাতা খুলতে পারেনি। এবারও সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে আইপিএফটি।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *