ডিজিপি অনুরাগ ধ্যানকর কেন তিনি আত্মহত্যার পথ বেছে নিলেন? পুলিশের লোকজন বলছেন, চাকরি জীবনে অবসান গ্রস্ত হয়ে পড়েছেন তিনি। নানান বিষয়ে হাত খুলে কাজ করতে পারছিলেন না। নেপথ্যে ছিলেন তার অধীনস্থ জনা কয়েকজন অফিসার। পাশাপাশি ছিলো পারিবারিক অশান্তিও।

ডেস্ক রিপোর্টার,২০ জুলাই।।
     রাজ্য পুলিশে বড় অঘটন! আত্মহত্যা করলেন রাজ্য পুলিশের  মহানির্দেশক আইপিএস অনুরাগ ধ্যানকর। নিজের অফিস রুমের বাথরুমে ফাঁসিতে আত্মহত্যা করেছেন তিনি। সোমবার সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ এই ঘটনা। সঙ্গে সঙ্গেই খবর পেয়ে পুলিশ সদর দপ্তরে ছুটে যান রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা। পুলিশ সদর দপ্তর থেকে ডিজিপিকে নিয়ে যাওয়া হয় জিবি হাসপাতালে। জিবি হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রদীপ ভৌমিক পুলিশ মহানির্দেশক অনুরাগ ধ্যানকরকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।


এক সময় পশ্চিম জেলার জেলা শাসক বিশাল কুমারের সঙ্গে প্রচণ্ড বাকবিতণ্ডা হয় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারের।

এরপর তার মৃতদেহ পাঠিয়ে দেওয়া হয় মর্গে ময়না তদন্তের জন্য। খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রীর সচিব কিরণ গিত্যে। গিয়েছেন রাজ্য পুলিশের পদস্থ আধিকারিকরা। জিবি হাসপাতালে ছুটে গিয়েছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরী ও প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার। দুই বাম নেতৃত্বের অভিযোগ, তাদেরকে হাসপাতালে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। এক সময় পশ্চিম জেলার জেলা শাসক বিশাল কুমারের সঙ্গে প্রচণ্ড বাকবিতণ্ডা হয় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারের।

মর্গ থেকে ভারতের জাতীয় পতাকা ও ত্রিপুরা পুলিশের লোগো সাঁটানো কফিনে বের করা হয় অনুরাগের নিথর দেহ।

এদিন বিকালে ময়না তদন্তের পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ প্রয়াত ডিজিপি আইপিএস অনুরাগ ধ্যানকরের মৃতদেহ তুলে দেওয়া হয় রাজ্য পুলিশ ও তাঁর স্ত্রীর হাতে। মর্গ থেকে ভারতের জাতীয় পতাকা ও ত্রিপুরা পুলিশের লোগো সাঁটানো কফিনে বের করা হয় অনুরাগের নিথর দেহ। সেখান থেকে ডিজিপির দেহ নিয়ে যাওয়া হয়েছে শ্যামলী বাজারস্থিত নিজের সরকারি আবাসে।


ডিজিপি অনুরাগ ধ্যানকর কেন তিনি আত্মহত্যার পথ বেছে নিলেন?

ডিজিপি অনুরাগ ধ্যানকর কেন তিনি আত্মহত্যার পথ বেছে নিলেন? পুলিশের লোকজন বলছেন, চাকরি জীবনে অবসাদ গ্রস্ত হয়ে পড়েছেন তিনি। নানান বিষয়ে হাত খুলে কাজ করতে পারছিলেন না। নেপথ্যে ছিলেন তার অধীনস্থ জনা কয়েকজন অফিসার। পাশাপাশি ছিলো পারিবারিক অশান্তিও।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *