Oplus_16908288

ককরোচ জনতা পার্টি তাদের পূর্ব নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী সোমবার ‘ সংসদ অভিযান ” কর্মসূচি শুরু করে। এদিন সকাল থেকেই যন্তর মন্তরে অভিজিৎ দীপকের ডাকে প্রচুর শিক্ষার্থী জড়ো হয়। তারা একের পর এক স্লোগান, ভাষণের মাধ্যমে আন্দোলনের তীব্রতা বাড়িয়ে দেয়। যদিও দিল্লি পুলিশ যন্তর মন্তর সহ আশপাশ এলাকায় রবিবার থেকেই দখল নেয়।

ডেস্ক রিপোর্টার, ২০ জুলাই ।।
     ককরোচ জনতা পার্টির  ‘ সংসদ অভিযান “কর্মসূচি ঘিরে অগ্নিগর্ভ  দেশের রাজধানী দিল্লি। শেষ পর্যন্ত পুলিশ ও আন্দোলনকারীদের মধ্যে হয় সংঘাত। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ লাঠি চার্জ ও টিয়ার  গ্যাস ছুড়ে।মূলত কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ এবং স্বচ্ছ পরীক্ষা ব্যবস্থার দাবিতে যুবসমাজ ও শিক্ষার্থীরা এই বিক্ষোভে অংশ নিয়েছিল।
              ককরোচ জনতা পার্টি তাদের পূর্ব নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী সোমবার ‘ সংসদ অভিযান ” কর্মসূচি শুরু করে। এদিন সকাল থেকেই যন্তর মন্তরে অভিজিৎ দীপকের ডাকে প্রচুর শিক্ষার্থী জড়ো হয়। তারা একের পর এক স্লোগান ভাষণের মাধ্যমে আন্দোলনের তীব্রতা বাড়িয়ে দেয়। যদিও দিল্লি পুলিশ যন্তর মন্তর সহ আশপাশ এলাকায় রবিবার থেকেই দখল নেয়।সংসদ অভিযানের পূর্বেই  পুলিশ নিউ ডিস্ট্রিক্ট এলাকায় বিএনএস-এর ১৬৩ ধারা জারি করে সব ধরনের জমায়েত নিষিদ্ধ করে।স্বাভাবিক ভাবেই সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে  আন্দোলনকারীরা জড়ো হওয়ার পর পুলিশ তাদের পিছু হটতে নির্দেশ দেয়। কিন্তু আন্দোলনকারীরা তা মানতে রাজি হয় নি। অভিজিৎ দীপকের নেতৃত্বের উপস্থিত শিক্ষার্থীরা মিছিল নিয়ে সংসদের দিকে এগোলে পুলিশ লাঠিচার্জ করে এবং টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে।
      পুলিশ বাধ্য হয় সিজেপি প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে সহ বেশ কয়েকজন আন্দোলনকারীকে গ্রেফতার করে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে যেতে।   তার আগেই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন পরিবেশ আন্দোলনকর্মী অসুস্থ সোনম ওয়াংচুক সরাসরি সংসদ অভিযানে যোগ দিতে চান। তখনই মুহূর্তে ছড়িয়ে পড়ে আন্দোলনের উত্তেজনা। সর্বশেষ প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী,  ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিনিধিরা কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডার সাথে সাক্ষাৎ করে তাদের দাবি সম্বলিত স্মারকলিপি জমা দিয়েছেন। এরপর আলোচনার পথ উন্মুক্ত হওয়ায় ককরোচ জনতা পার্টির নেতা অভিজিৎ দিপকে তার অনশন প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নেন।






Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *